দর্পণ রিপোর্ট :

কখনো সন্ত্রাস, কখনো ধর্ষণের ঘটনা আবার কখনো মহাভারত থেকে ডারউইনের তত্ত্ব গত ছয় মাসে ভারতে মোদি সরকারের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও কর্মকর্তাদের নানা বিতর্কিত বক্তব্যে ঝড় উঠেছে ভারতজুড়ে।
ফলে, সোমবার নিজের অ্যাপের (নরেন্দ্র মোদি অ্যাপ) মাধ্যমে সারা দেশে বিজেপি নেতাদের আবার সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী। বোঝালেন, ওই সব দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যে তাদের তো বটেই, নষ্ট হচ্ছে বিজেপির ভাবমূর্তিও।

দলের নেতাদের মোদি বলেছেন, সংবাদমাধ্যম বাড়াবাড়ি করছে বলে তাদের সব সময় দোষে লাভ নেই। তার মন্তব্য, আমরা ভুল করছি আর সংবাদমাধ্যমের হাতে ‘মসলা’ তুলে দিচ্ছি। ক্যামেরা দেখলেই ঝাঁপিয়ে পড়ে কথা বলছি, যেন আমরা কোনও বিরাট সমাজবিজ্ঞানী অথবা বিশ্লেষক। প্রকৃত তথ্য না জেনে করা সেসব মন্তব্যকে ব্যঙ্গ করছে সংবাদমাধ্যম। এতে সংবাদমাধ্যমের দোষ নেই।

এক ঘণ্টার কথাবার্তায় তিনি বলেন, প্রত্যেকে যদি মতামত দিতে শুরু করেন, তাহলে মূল বিষয়টা থেকে নজর সরে যায়। উত্তর দেয়ার জন্য উপযুক্ত লোক আছে।

গত বছর এপ্রিলে দলীয় সম্মেলনেও মোদি নেতাদের বলেছিলেন, চুপ করে থাকা অভ্যাস করুন। এবার কাঠুয়া এবং উন্নাওয়ে ধর্ষণ-খুন নিয়ে বিতর্কের প্রেক্ষিতে ফের মোদির এই মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

যদিও সোমবার তিনি যখন সতর্ক করছেন, তখনই তার মন্ত্রিসভার প্রতিমন্ত্রী সন্তোষ গাঙ্গোয়ার বলেছেন, এই ধরনের ঘটনা (ধর্ষণ) দুর্ভাগ্যজনক। কখনও কখনও থামানো যায় না। এত হইচইয়ের কী আছে?

মোদি যে ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য নিয়ে আপত্তি তুলেছেন, তার নমুনা মিলেছে মধ্যপ্রদেশের বালিয়ার সংসদ সদস্য ভরত সিংহের মন্তব্যেও।

তিনি রোববার বলেছেন, কংগ্রেসকে নিয়ন্ত্রণ করেন খ্রিস্টান মিশনারিরা। এসব মিশনারির নির্দেশে কাজ করেন সনিয়া গান্ধী। দেশের ঐক্যের জন্য এই মিশনারিরা বিপজ্জনক।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকার।