এপিএ স্বাক্ষর ও শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান। ছবি: সংগৃহীত

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে মন্ত্রণালয় এবং এর অধীন সাতটি দপ্তর-সংস্থার সঙ্গে আগামী ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর ও শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বুধবার (২৯ জুন) প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

জাতীয় অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশের পরিবেশের উন্নয়ন দৃশ্যমান করতে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি কঠোর নির্দেশনা প্রদান করে তিনি আরো বলেন, বায়ুদূষণ, পানিদূষণসহ সব প্রকার পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। অবৈধ বনভূমি পুনরুদ্ধার এবং দেশের বৃক্ষাচ্ছাদিত ভূমির পরিমাণ ২৪ শতাংশে উন্নীত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

মন্ত্রণালয়ের সচিব ডক্টর ফারহিনা আহমেদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) ইকবাল আব্দুল্লাহ হারুনসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং অধীন দপ্তর/ সংস্থার প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি একটি কাঠামোবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা। সরকারি কর্মচারিদের নিজ নিজ দায়বদ্ধতা থেকে এ কাঠামোর বাইরে গিয়েও কাজ করতে হবে। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্য পূরণে আন্তরিক হতে হবে। এজন্য সর্বোচ্চ গুরুত্বসহকারে এবং গুণগত মান নিশ্চিতপূর্বক প্রতিযোগিতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। দেশের প্রতি ভালোবাসা থেকে কাজ করলে সোনার বাংলা বিনির্মাণ সহজতর হবে।

অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ডক্টর ফারহিনা আহমেদ এর সঙ্গে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডক্টর আবদুল হামিদ, বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো.আমীর হোসাইন চৌধুরী, বাংলাদেশ বন গবেষণা ইন্সটিটিউটের পরিচালক ডক্টর রফিকুল হায়দার, বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়ামের পরিচালক সঞ্জয় কুমার ভৌমিক, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. রেজাউল হক এবং বাংলাদেশ রাবার বোর্ড চেয়ারম্যান সৈয়দা সারওয়ার জাহান নিজ নিজ সংস্থার পক্ষে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর করেন।