দিবাকর সরকার, কলাপাড়া প্রতিনিধি : এক যুগ আগের কেনা জমির দোকানপাটসহ স্থাপনা থেকে উচ্ছেদ আতঙ্কে নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পাঁচজুনিয়া গ্রামের কৃষক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নমরহাট বাজারের এই কৃষক বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় কলাপাড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন। তার পক্ষে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন স্বজন মোঃ হাসিব। তিনি বলেন ধানখালীর আঃ আজিজ প্যাদার কাছ থেকে জাহাঙ্গীর আলম নোমর হাট বাজারের ২৩৪ খতিয়ানের ২৩৯ নম্বর দাগের পাঁচ শতক জমি ক্রয় করেন ২০০৬ সালে। যার দলিল নম্বর ৩৭৩২। তখন জমি বুঝিয়ে দেয়ায় সেখানে তিনি স্থাপনা তুলে ব্যবসা করে আসছেন। কিন্তু কৌশলে দলিলে চৌহদ্দি পাল্টে দেন আঃ আজিজ প্যাদা। এখন ওই জমি থেকে উচ্ছেদ করতে বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধামকি দেয়া হচ্ছে। এমনকি মামলার ভয় দেখানো হচ্ছে। এনিয়ে পটুয়াখালী পুলিশ সুপারের কাছে জাহাঙ্গীর আলম লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। সর্বশেষ বুধবার কলাপাড়া থানায় আজিজ প্যাদাসহ সাত জনের নাম উল্লেখ করে একটি জিডি করেছেন। জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ করেন আঃ আজিজ প্যাদার এক ছেলে নুরুজ্জামান পুলিশে চাকরি করছে। একারণে তাকে পুলিশি হয়রাণি করার হুমকি দেয়া হয়েছে। তিনি প্রতারণা থেকে রক্ষাসহ নিরাপত্তা চেয়েছেন। অভিযুক্ত এএসআই নুরুজ্জামান জানান, তার বাবা জমি বিক্রি করেছেন। ওই জমি নিয়ে একটি মামলা চলমান রয়েছে। যে কারণে অন্য জায়গা থেকে জাহাঙ্গীর আলমকে জমি দেয়ার কথা বলা হয়েছে। কিংবা বর্তমান বাজার মূল্যে টাকা ফেরত দেয়ার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু কোনটা তারা মানছে না। উল্টো তাদের জমির অন্য ভাড়াটিয়াদের দোকানে হামলা করেছে জাহাঙ্গীর আলম গং। আব্দুল আজিজ প্যাদা জানান, তাকে রাস্তার পুর্বপাশের থেকে জমি বুঝিয়ে দেন। যা বর্তমানে খালি রয়েছে। কোন ফয়সালা মানছেন না বলে জাহাঙ্গীর আলমকে দায়ী করে পাল্টা অভিযোগ করেছেন। ধানখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রিয়াজ তালুকদার জানান, জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। তার ন্যায্য প্রাপ্য থেকে বঞ্চিতের চক্রান্ত করা হচ্ছে। কলাপাড়া থানার ওসি মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, যেহেতু থানায় জিডি হয়েছে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

News Editor : Ganash Chanro Howlader. Office: 38-42/2 Distillery Road, 1st floor, Gandaria, Dhaka-1204.