ঢাকা: হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ঢাকা কাস্টম হাউসের নিজস্ব গুদাম থেকে সোনা চুরির ঘটনায় সেখানে দায়িত্বরত ৪ সিপাহীকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে বিমানবন্দর থানা পুলিশ। ইতোমধ্যে তিনটি সংস্থার সিসি ক্যামেরা সংগ্রহ করা হয়েছে।

তবে গুদামের ভেতর কোনো সিসি ক্যামেরা ছিল না বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঢাকা কাস্টম হাউসের গুদামের লকার সিসিটিভি ক্যামেরার আওতার বাইরে থাকায় চোর শনাক্ত করা অনেকটাই কঠিন হয়ে পড়েছে। তবু এই মামলার অভিযুক্ত অজ্ঞাতনামা আসামিদের খুঁজে বের করতে কাজ করছে পুলিশ।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুলিশ হেফাজতে নেওয়া রেজাউল করিম, মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, আফজাল হোসেন ও নিয়ামত হাওলাদার নামে চার সিপাহীকে জিজ্ঞাসাবাদে তেমন কোনো সন্তোষজনক তথ্য এখনও পায়নি পুলিশ। তবে এই চুরির ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত রয়েছে, তাদের খুব শিগগিরই আইনের আওতায় নিয়ে আসতে চেষ্টা চলছে।

পুলিশের তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বিমানবন্দর রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। বিমানবন্দরের ভেতরে সব জায়গা সিসিটিভি ক্যামেরায় নজরদারিসহ সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার মধ্যে রাখা হয়। পুরো বিমানবন্দরে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাসহ সরকারি বেশ কয়েকটি সংস্থা কাজ করে। এত নিরাপত্তার মধ্যে গুদাম থেকে সোনা চুরি হওয়া ও কাস্টমস হাউসের গুদামের ভেতরে সিসিটিভি ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণ না থাকার বিষয়টি সন্দেহজনক। কাস্টম কর্মকর্তাসহ বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট কেউ এই চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলেও আমরা ধারণা করছি। তবে সার্বিক বিষয় বিবেচনা করেই আমরা তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছি।

এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মোর্শেদ আলম বলেন, আমরা সোনা রাখার গুদাম ঘর পরিদর্শন করেছি। এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা সিসিটিভির আওতায় ছিল না, বিষয়টি অবাক করার মতো। তাই কে বা কারা সোনা সরিয়েছে, তা স্পষ্ট করা যাচ্ছে না। গুদামঘর সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকলে বের করা সহজ হতো।