হলি আর্টিসানে হামলার সময় জিম্মিদের উদ্ধার অভিযানে নিহত দুই পুলিশ কর্মকর্তার স্মরণে নির্মিত ‘দীপ্ত শপথ’ ভাস্কর্যে শুক্রবার শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, হলি আর্টিসানের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরে যদি আমরা ঘুরে দাঁড়াতে না পারতাম, তাহলে আজ যে পদ্মাসেতু দেখছি, মেট্রোরেল দেখছি তা কোনো কিছুই বাস্তবায়ন হতো না। ঘুরে দাঁড়াতে না পারলে কোনো বিদেশি টেকনিশিয়ান-ইঞ্জিনিয়ার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশে আসত না।
জঙ্গিবাদ দমনে পুলিশের অবদানের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বিভিন্ন সময় এন্টি-টেরোরিজম ইউনিট-সিটিসিসহ বিভিন্ন মেট্রো ও জেলা পুলিশে সিটিসির মতো একটি করে ছোট ইউনিট করা হয়েছে। তারা বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে জঙ্গিদের গ্রেফতার করছে। জঙ্গিদের নেটওয়ার্ক নস্যাৎ করে দেওয়া হচ্ছে।
ডিএমপি কমিশনার আারো বলেন, জঙ্গি দামনে আমরা তৃপ্তির ঢেকুর দিচ্ছি না। কারণ এখনো জঙ্গি তৎপরতা মাঝে মাঝে চোখে পড়ছে। জঙ্গিদের সোশ্যাল মিডিয়ায় একটিভিটিসহ সব বিষয়ে আমরা মনিটরিং করছি।
২০১৬ সালের ১ জুলাই আজকের এই দিনে গুলশানে হলি আর্টিসান বেকারিতে সন্ত্রাসীরা ভয়াবহ হামলা চালায়। এতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের দুই কর্মকর্তাসহ দেশি-বিদেশি ২২ জন নিরীহ নাগরিক নিহত হন। এই সন্ত্রাসী হামলা প্রতিহত করতে গিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ২ কর্মকর্তা সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. রবিউল করিম ও বনানী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সালাহ উদ্দিন খান নিহত হন।
তাদের স্মরণে ও হলি আর্টিসান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলায় পুলিশের আত্মত্যাগকে স্মরণ করতে পুরাতন গুলশান থানার সামনে ২০১৮ সালের ১ জুলাই ‘দীপ্ত শপথ’নামে একটি ভাস্কর্য উদ্বোধন করেছিলেন ডিএমপি কমিশনার।