অনলাইন ডেস্ক : কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার প্রি-ক্যাডেট গ্রামার স্কুলের অষ্টম ও দশম শ্রেণির কয়েকজন ছাত্র অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষা শেষ করে মাতামুহুরী নদীর ব্রিজসংলগ্ন চরে ফুটবল খেলতে যায়। খেলা শেষে তাদের মধ্যে ৬ জন নদীতে গোসল করতে নামে। এ সময় সবাই নদীতে তলিয়ে যায়।
পরে তাদের মধ্যে জামি নামের একজন ছাত্র কোন রকমে সাঁতারে পাড়ে উঠতে পারলেও আমিনুল হোছাইন (এমশাদ), আফতাব হোছাইন (মেহেরাব), মোহাম্মদ ফারহান, সাঈদ যাওয়াব আর্ভি ও তুর্জয় ভট্টচার্য নদীতে তলিয়ে যায়। ঘটনাটি শনিবার দুপুরের।
পরে ওইদিন সন্ধ্যায় ৩ জনের ও রাত ১২টার দিকে আরও দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা করা হয়। এ ঘটনায় পুরো উপজেলাতেই শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শুধু নিহতদের স্বজনরাই নয়, ওই কিশোরদের পরিচিত-অপিরিচত সাবারই চোখেই জল।
এ দিকে রোববার সকাল ১১ টায় নিহতদের মধ্যে ৪ জনের নামাযে জানাযা একসঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে। বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সর্বস্তরের শোকাহত মানুষ এতে অংশগ্রহণ করেন।
এছাড়াও মাতামুহুরীর চরে অনুষ্ঠিত জানাযায় চকরিয়া পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য হাজী মো. ইলিয়াছ, চকরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আলম, চকরিয়া পৌর মেয়র আলমগীর চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুর উদ্দিন মুহাম্মদ শিবলী, থানাো ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরীসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রি-ক্যাডেট গ্রামার স্কুলের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম জানান, নিহতদের মধ্যে এমশাদ ও মেহেরাব চকরিয়া আনোয়ার শপিং কমপ্লেক্সের মালিক আনোয়ার হোছাইনের ছেলে। তুর্ণ ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা জলির পুত্র বলে জানা গেছে।
তিনি আরও জানান, এছাড়া নিহতদের মধ্যে তার ছেলে অর্ভিও রয়েছে। অন্যজন হল চকরিয়া হাসপাতাল এলাকার শওকত আলীর ছেলে মোহাম্মদ ফরহান।