শনিবার দুপুরে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে আইইডিসিআর’র পরিচালক অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি আবারো প্রয়োজন ছাড়া বিদেশ ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেন।
নতুন বছর শুরু না হতেই করোনা আতঙ্ক বিশ্বব্যাপী। চীন দিয়ে শুরু হলেও কালো থাবা ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন দেশে। আক্রান্তের তালিকায় প্রতিদিনই যুক্ত হচ্ছে নতুন দেশ। মহামারি না হলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা উচ্চ মাত্রার সতর্কতা জারি করেছেন।
মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, রোগীগুলো নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশ থেকে ওখানে ভ্রমণ করে গেছেন। ওই দেশের লোকাল ট্রান্সমিশন শুরু হয়নি। এদিক থেকে আমাদের আশস্থ হওয়ার জায়গা। আবার আমাদের দেশে রোগী আসবে না তা ভেবে বসে থাকা যাবে না। দক্ষিণ কোরিয়া, ইরাক, ইতালি এসব দেশে তথ্য বিশ্লেষণ ও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
প্রাণীর মাধ্যমে ছড়ানো সাত ধরনের করোনাভাইরাসের তিনটি ক্ষতিকারক। আর বাকি চারটি মূলত সাধারণ সর্দি জ্বর যার জন্য আতঙ্কিত না হয়ে সঠিক চিকিৎসার পরামর্শ দেন আইইডিসিআর’র পরিচালক। এসব দেশের দূতাবাস ও বাংলাদেশে অবস্থিত দূতাবাসে আমরা নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে বলেও জানান।
আইইডিসিআর’র পরিচালক বলেন, করোনাভাইরাস মূলত প্রাণীর মধ্যে থাকে। এরমধ্যে সাতটি করোনাভাইরাস নিট্রিউশনের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ঢুকে। সাধারণ সর্দি জ্বর যার জন্য কোন রকম আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই।
আক্রান্ত রোগীর ভ্রমণের কারণে নতুন নতুন দেশের তালিকা বাড়ছে জানিয়ে সংস্থাটি আক্রান্ত দেশ থেকে জরুরি কাজে যারা বাংলাদেশে আসছেন তাদের নিরুৎসাহিত করেন আইইডিসিআর।