Parents wait for news after a reports of a shooting at Marjory Stoneman Douglas High School in Parkland, Fla., on Wednesday, Feb. 14, 2018. (AP Photo/Joel Auerbach)

অনলাইন ডেস্ক : বদলে যেতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষানীতি। পাল্টে যাচ্ছে স্কুলগুলোর চিরচেনা পরিবেশ। সামনের দিনগুলোতে ঘাড়ে রাইফেল নিয়ে স্কুলে যাবেন শিক্ষকরা। শ্রেণীকক্ষেও ঢুকবেন বন্দুক নিয়েই। শুধু তাই নয়, বন্দুক হামলার মতো জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে বন্দুক চালাতে হবে, রীতিমতো ক্লাস করে তার শিক্ষা নিচ্ছেন তারা।

স্কুলগুলোতে ক্রমবর্ধমান বন্দুক হামলা প্রতিরোধে এ পথে পা রাখছেন শিক্ষকরা। স্কুলে শুধু বই পড়ানো আর খাতা-কলম নিয়ে বসে থাকবেন না। নিজেদের ও কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের সুরক্ষার দায়িত্বও নেবেন তারা। খবর এএফপির।

যুক্তরাষ্ট্রের স্কুলগুলোতে বন্দুক হামলায় হতাহত হওয়া একটি নিয়মিত ঘটনা। প্রতি সপ্তাহে এখানে গড়ে একজন ছাত্রছাত্রী বন্দুক হামলায় নিহত হয়। বছরে নিহত হয় ৩৩ হাজার। এমন প্রেক্ষাপটে চলতি বছরের মার্চ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্কুল শিক্ষকদের হাতে অস্ত্র তুলে দেয়ার প্রস্তাব করেন। এর পর থেকেই অস্ত্র প্রশিক্ষণ নেয়ার দিকে ঝুঁকছেন স্কুল শিক্ষকরা। ইতিমধ্যে কয়েকশ’ শিক্ষক অস্ত্র চালানোর শিক্ষা নিয়েছেন।

২০১২ সালে ফ্লোরিডার স্যান্ডি হুক ইলেমেন্টারি স্কুলে এক ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটে। এতে নিহত হয় ছোট ছোট ২০টি শিশু। এ ঘটনার পরপরই প্রতিষ্ঠিত হয় অলাভজনক অস্ত্র প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান ফাস্টার। প্রতিষ্ঠানটি এ যাবৎ ১৩০০ শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এসব শিক্ষকের সিংহভাগই ওহাইও রাজ্যের। প্রশিক্ষণ নেয়া শিক্ষকের ৬৩ জন কলোরাডো রাজ্যের।

১৯৯৯ সালে এই রাজ্যের কলাম্বিয়ান হাই স্কুলে ঘটে আরেক ভয়াবহ বন্দুক হামলা। প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এমন একজন শিক্ষক ডেনভার রাজ্যের জেফারসন কাউন্টির প্রাথমিক শিক্ষক কেটি। ২৭ বছর বয়সী এ শিক্ষক বলেন, বন্দুক নিয়ে স্কুলে যাওয়ার ক্ষেত্রে মানুষের কিছুটা ভীতি রয়েছে। এক্ষেত্রে তারা এর খারাপ দিকটাই দেখে। আমি মনে করি, শিক্ষকদের সঙ্গে বন্দুক থাকার একটা ভালো দিক রয়েছে। এটা অনেকে জীবন বাঁচিয়ে দিতে পারে।’