বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা না করা যার যার দলের ব্যাপার। আগামী নির্বাচনেও বিএনপি যদি অংশ গ্রহণ না করে, তাহলে তারা অস্তিত্ব সংকটে পড়বে। এটা হবে বিএনপির জন্য ‘রাজনৈতিক’ আত্মহত্যা। নিশ্চয়ই রাজনৈতিকভাবে তারা আত্মহত্যা করতে চাইবে না।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ যদি নাও চায়, তাহলে বিএনপির আরও বেশি করে অংশগ্রহণ করা দরকার। আমরা আওয়ামী লীগ চাই সব দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হোক। ২০১৪ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে জ্বালাও, পোড়াও এবং আগুন সন্ত্রাস সৃষ্টি করে জনজীবনে বিপর্যয় ডেকে আনার চেষ্টা করেছিল। নির্বাচন বানচাল করার সর্বাত্মক চেষ্টা করেও নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে পারেনি।
বুধবার দুপুরে ভোলার বোরহানউদ্দিন পৌরসভায় দরিদ্রদের মাঝে শাড়ি-লুঙ্গি বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
এর আগে কুতুবা ইউনিয়নের পৃথক অনুষ্ঠানে তোফায়েল আহমেদ বলেন, মওদুদ আহমদরা যত কথা বলুক না কেন আগামী নির্বাচনে তারা অংশগ্রহণ করবে। নির্বাচনের আগে তারা একটা গোলযোগ সৃষ্টি করার চেষ্টা করবে। কিন্তু তারা জানে এটা করে সফল হবে না। তাদের উচিত হবে নির্বাচনী প্রস্তুতি নেওয়া। যেমন আমরা নির্বাচনী প্রস্তুতি গ্রহণ করছি।
মন্ত্রী এদিন উপজেলার কুতুবা, কাচিয়া, টবগী, পক্ষিয়া ইউনিয়নসহ উপজেলায় প্রায় ১১ হাজার দরিদ্রদের মাঝে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করেন।
এ সময় বোরহানউদ্দিন উপজেলা চেয়ারম্যান মহাব্বতজান চৌধুরী, পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল কুদ্দুস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেলুর রহমানসহ আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।