দর্পণ ডেস্ক : ম্যাচ শেষ হলে পরিসংখ্যান দেখালো তাতে লিভারপুলের বল দখল শতকরা ৭০ ভাগ, এভারটনের ৩০। কিন্তু ফুটবলে বল দখলটাই সব নয়, গুরুত্বপূর্ণ হলো সুযোগ কাজে লাগানো। দুর্দান্ত খেলেছে ৩০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ জয়ের দ্বারপ্রান্তে থাকা লিভারপুল। কিন্তু করোনাভাইরাস লকডাউন যে তাদের পায়ে একটু জং ধরিয়ে দিয়েছে, সেটিও সত্য। অ্যাটাকিং থার্ডে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলেছে। তাই লিভারপুল ডার্বিতে ড্র করতে হলো রেডসকে। গোলশূন্য ড্র।

তবে ড্র নয়, গুডিসন পার্কে জয়ই পেতে পারতো স্বাগতিক এভারটন। আর সেটি হতো ১০ বছর পর লিভারপুল ডার্বিতে তাদের প্রথম জয়। যদি না ৮০ মিনিটে টম ডেভিসের শট পোস্টের ভেতরের দিকে লেগেও ফিরে আসতো। আর লিভারপুল গোলকিপার আলিসন স্বদেশি ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রিচার্লিসনের শট ঠেকিয়ে দিতেন দারুণ নৈপুন্যে। চোট কাটিয়ে খেলায় ফিরেই আলিসন দেখিয়ে দিলেন তার জাতটা। ম্যাচ শেষে লিভারপুল কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ তার গোলকিপারকে নিয়ে ঝরিয়েছেন মুগ্ধতা, ‘অসাধারণ! এটাই হলো বিশ্বমানের গোলকিপারের কাজ। পুরো ৯০ মিনিটে তাকে খুব বেশি কিছু করতে হয়নি। তবে সে ছিল আর তাতেই আমরা একটা পয়েন্ট পেয়েছি। এমনটা যে প্রথমবার ঘটলো তা তো নয়!’

ড্র করে দুই পয়েন্ট হারানো মানে ট্রফিটা হাতে তুলতে আর পাঁচ পয়েন্ট লাগবে লিভারপুলের। বাকি আছে আট ম্যাচ। তবে অ্যানফিল্ডে ক্রিস্টাল প্যালেসের সঙ্গে বুধবারের ম্যাচটি জিতলেও লক্ষ্যপূরণ হতে পারে। তার আগে যদি সোমবার ইতিহাদে বার্নলিকে হারাতে ব্যর্থ হয় ম্যানচেস্টার সিটি।

পুরো ফিট না থাকায় ডার্বিতে খেলতে পারেননি স্ট্রাইকার মোহামেদ সালাহ আর লেফটব্যাক অ্যান্ডি রবার্টসন। দুজনের অভাবটা ভীষণভাবেই অনুভূত হয়েছে লিভারপুলের কাছে। ওদিকে পুরো ম্যাচ জুড়েই দুর্দান্ত খেলেছেন এভারটন অধিনায়ক ও রাইটব্যাক সিমাস কোলম্যান। ম্যান অব দ্য ম্যাচই হয়েছেন তিনি।