ইউনিটটিতে এ বছর ১৩০টি আসনের বিপরীতে ভর্তিচ্ছু আবেদনকারীর সংখ্যা ৭ হাজার ৩৫৬ জন। সে হিসাবে আসন প্রতি লড়েন ৫৬ জন পরীক্ষার্থী।
গত বছরের মতো এবারও দেশের আট বিভাগে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে একযোগে এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে, গত ৩ জুন ঢাবির ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে এ বছরের ভর্তিযুদ্ধ শুরু হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে ৪ জুন কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা, ১০ জুন বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের এবং সবশেষ গত ১১ জুন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় বসেন শিক্ষার্থীরা। ‘চ’ ইউনিট ছাড়া অন্য সব পরীক্ষা হয় বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।
এ বছর ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে আবেদন করেন ২ লাখ ৯০ হাজার ৩৪৮ শিক্ষার্থী। যেখানে মোট আসন সংখ্যা ৬ হাজার ৩৫টি। এর মধ্যে ‘ক’ ইউনিটে ১ হাজার ৮৫১ আসনের বিপরীতে ১ লাখ ১৫ হাজার ৭১০ জন, ‘খ’ ইউনিটের ১ হাজার ৭৮৮ আসনের বিপরীতে ৫৮ হাজার ৫৫১ জন, ‘গ’ ইউনিটে ৯৩০ আসনের বিপরীতে ৩৩ হাজার ৬৯৩ জন, ‘ঘ’ ইউনিটে ১ হাজার ৩৩৬ আসনের বিপরীতে ৭৮ হাজার ২৯ জন এবং ‘চ’ ইউনিটে ১৩০ আসনের বিপরীতে ৭ হাজার ৩৫৬ জন শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নের। মোট আসনের বিপরীতে গড়ে লড়েন ৪৮ শিক্ষার্থী।
গত বছরের মতো এবারো দেশের আট বিভাগে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে একযোগে এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
ঢাকার বাইরের কেন্দ্রগুলো হলো- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (ময়মনসিংহ), শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (সিলেট), বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (রংপুর)।
এদিকে ভর্তি পরীক্ষার দিতে আসা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অভিভাবক ও শুভাকাঙ্খীদের ক্যাম্পাসে না আসার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে আসা ও অংশগ্রহণ নির্বিঘ্ন করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, জনসমাগম ও পরিবেশ দূষণ না করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। একইসঙ্গে পরীক্ষার দিন ক্যাম্পাসে যানবাহন চলাচল সীমিত রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে। ভাসমান দোকান এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন ও লিফলেটসহ অন্যান্য প্রচারণা কার্যক্রম ক্যাম্পাসকে অপরিচ্ছন্ন করে ও চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তাই পরীক্ষার দিন সেসব কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না।
এতে আরও বলা হয়েছে, ভিড় এড়ানোর জন্য পরীক্ষার্থী ছাড়া অভিভাবক ও শুভাকাঙ্খীদের ভর্তি পরীক্ষার দিনগুলোতে ক্যাম্পাসে না আসার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সহায়তা দিতে পরীক্ষার দিন ক্যাম্পাসের প্রবেশপথ ও বিভিন্ন জায়গায় রোভার স্কাউট ও বিএনসিসিসহ শিক্ষার্থী স্বেচ্ছাসেবকরা নিয়োজিত থাকবেন। ক্যাম্পাসের নান্দনিক পরিবেশ ও সবুজায়ন রক্ষা এবং পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছে ঢাবি প্রশাসন।