মোঃ ফিরোজ খান :

প্রায় (৪,০০০) হাজার গুনি লেখক,কবি ও পাঠকদের মান সম্পন্ন ও প্রাণবন্ত লেখার মাধ্যমে কবি নগর কবিদের আসরের উন্নতি ক্রমাগত ভাবে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ছে দেশ-বিদেশের সাহিত্য অঙ্গ সংগঠনের মাঝে। তাইতো কবি নগর কবিদের আসর আজকে অনলাইনে মধ্যে থাকা বিভিন্ন আসরের মধ্যে অনেক জনপ্রিয় সাহিত্য সংগঠন চর্চা আসর হিসেবে পরিচিতি। এছাড়াও বিভিন্ন দিক থেকে সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে বিভিন্ন বিষয়ে লেখার মাধ্যমে। আমার জানা মতে আরো অনেক অনলাইন ভিত্তিক সাহিত্য আসর আছে তবে তাদের চেয়ে কবি নগর কবিদের আসর অনেক অনেক বেশি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে বিগত বছরে। সত্যিই আমরা যেনো একটি সুখের পরিবার (কবি নগর কবিদের আসরের) যারা আছেন সদস্য, পাঠক,লেখক, কবি ও আ্যডমিন হিসেবে এরা সকলেই যেনো সুখের পরিবারের মধ্যে সবসময় জড়িয়ে আছেন বিভিন্ন লেখার মাধ্যমে।

আমাদের ফেইসবুক অনলাইন ভিত্তিক (কবি নগর কবিদের) আসরের প্রধান আ্যডমিন ও পরিচালক জনাব(ছাদির হোসেন ছাদি ভাই)সহ আরো যারা এই সাহিত্য চর্চায় জড়িয়ে আছেন আ্যডমিন হিসেবে আমি সকল ভাই বোনদেরকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও সালাম।আপনাদের ভালোবাসা ও কষ্টের সুদীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আজ এই আসরের জন্ম হয়েছে তাই আপনারা সবাই সবসময় থাকবেন মিলেমিশে এই আসরের সঙ্গে এই কামনা করছি আমি সবসময়।আপনাদের সুন্দর ও সুশীল গল্প,ছড়া,কবিতা ইত্যাদি লেখা প্রকাশিত হবে প্রতিদিন আর তখনই(কবি নগর কবিদের) আসরের মাঝে প্রাণ ফিরে আসবে।তাই সবসময় এই আসরের মাঝে আপনার লেখা পোস্ট করবেন,এবং অন‍্যের লেখাকে মূল‍্যায়ন করবেন মূল‍্যবান মন্তব্য, লাইক ও কমেন্ট করে। হয়তোবা আপনাদের লেখাগুলো বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়বে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ও ম‍্যাগাজিনে। আমরা এই দেশের সাহিত্য অঙ্গন‌ ও বাংলাদেশের বাহিরেও বিদেশের বিভিন্ন সাহিত্যের দিগন্তে আলো ছড়িয়ে দিবো (কবি নগর কবিদের আসরের মাধ্যমে)।আমরা সবসময় আমাদের বাংলাদেশের অসহায়,অবহেলিত মানুষের পাশাপাশি গিয়ে দাড়াতে চেষ্টা করব লেখার মাধ্যমে,যে কোনো সময় যে কোনো ধরণের সাহায্য সহযোগিতার মাধ্যমে।আমরা সাহিত্য চর্চা নিয়ে যখনই আসরের মাঝে উপস্থিত হবো তখনই যেনো প্রথমে আমরা আমাদের মাতৃভূমি মা,মাটি,ও মানুষের কথাকে বেশি প্রাধান্য দিতে পারি এই চিন্তা চেতনা সবসময় বহাল রাখবো সকলের মনের মাঝে শুধুমাত্র সাহিত্যের সূতায় বেঁধে থাকতে এক বাঁধনে।

আমি সাহিত্যকে ভালোবাসি,সাহিত্য নিয়ে গর্ব করি,তাই সময় পেলেই সাহিত্যের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে একটু আলোচনা করতে,লিখতে,পড়তে খুবই পছন্দ করি। কেননা আলোচনার মাঝেই থাকে লুকিয়ে সমলোচনা ও সুফল দিকগুলো।অনলাইনে সাহিত্য চর্চা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে।তাই আমরা (কবি নগর কবিদের)আসরের সকল সন্মানিত লেখক,কবি,সাহিত‍্যিক ও ছড়াকার ভাই বোনদেরকে শুধু বলবো সবসময় যেনো সাহিত্যের আলো ছড়িয়ে দিতে পারি অনলাইনের মাধ্যমে লেখা প্রকাশ করে দেশ বিদেশের সাহিত্য চর্চা অঙ্গনে।(কবি নগর কবিদের)আসর সহকারে অন‍্য সকল আসরের সম্পর্কে সাহিত্যোর প্রতি শ্রদ্ধা ও সন্মান দেখাবো এবং এই দেশের মানুষের সুখ দুখের সঙ্গী হবো শুধুমাত্র লেখার দ্বারা আলো ছড়িয়ে।সুন্দর সুশীল ভাষায় লেখা প্রকাশ ও আলোচনার মাধ্যমে।আমাদের সাহিত্যের প্রতি যেনো সবসময় মূল‍্যবোধ থাকে এই আশাটুকু আমি রাখবো সকলের নিকট। (কবি নগর কবিদের) আসরের সঙ্গেই সাহিত্য আছে এবং থাকবে গভীর ভাবে মিলেমিশে,যেখানে আছেন অগনিত কবি,সাহিত‍্যিক,লেখক, ছড়াক্কার,যাদের লেখার মাধ্যমে আজ (কবি নগর কবিদের) আসরে প্রায় অনেক সদস্য, কবি,পাঠক,লেখক,জড়িয়ে আছেন বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন লেখার মাধ্যমে।যে আসর থেকে সৃষ্টি হবে ভবিষ্যতের নামকরা কবি,সাহিত্যিক,লেখক ও ছড়াক্কার।যেখানে সাহিত্য ফুটে থাকবে ঠিক ফুটন্ত গোলাপ ফুলের মতোই,যার শুভাসে আলোকিত হবে দেশ বিদেশের সাহিত্য অঙ্গন।

এবার সাহিত্যের রূপ রেখা নিয়ে কিছু কথা বলবো শুধুমাত্র(কবি নগর কবিদের) আসরকে মূল‍্যায়ন ও সন্মান করেই)বাংলা ভাষায় রচিত সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্য নামে পরিচিত এই কথাটুকু আমাদের সকলের জানা আছে। আনুমানিক খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর মাঝামাঝি এই বাংলা ভাষায় সাহিত্য রচনার সূত্রপাত হয়। ঠিক খ্রিষ্টীয় দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত হয় বৌদ্ধ দোহা সংকলন
চর্যাপদ যা বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে সকলের কাছে
বোধগম্য,আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ঠিক আর তিনটি গ্রন্থের সঙ্গে চর্যাগানগুলি নিয়েই সম্পাদিত গ্রন্থের নাম দেন”হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা“।তবে মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্য ছিল সকল কাব‍্যের কাব্য প্রধান।
হিন্দুধর্ম,ইসলাম ও বাংলার লৌকিক ধর্মবিশ্বাসগুলিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল বর্তমান সময়কার বাংলা সাহিত্য। মঙ্গলকাব্য,বৈষ্ণব পদাবলি,শাক্তপদাবলি,বৈষ্ণব,
সন্তজীবনী,রামায়ণ মহাভারত
ওভাগবতের,বঙ্গানুবাদ,পীরসাহিত্য,নাথসাহিত্য,বাউল পদাবলি এবং ইসলামি ধর্মসাহিত্যই ছিলো উক্ত সাহিত্যের মূল বিষয়।আর যতটুকু সম্ভব এই বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার সূত্রপাত হয় ঠিক খ্রিষ্টীয় অষ্টাদশ শতাব্দীতে।

সাহিত্য,আলোচনা সত্যি জীবনের রূপ রেখাকে ঠিক সাহিত্যের মূল পথে রূপান্তরিত করে ,ঊনবিংশ
শতাব্দীতে বাংলার নবজাগরণের
যুগে কলকাতা শহরকে কেন্দ্র করেই বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা হয়।ঐ সময় থেকেই ধর্মীয় বিষয়বস্তুর বদলে মানুষ মানবতাবাদ ও মানব-মনস্তত্ত্ব বাংলা সাহিত্যের প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে ওঠে সাহিত্য অঙ্গনে।আর এভাবেই সাহিত্য আজ আমাদের গণযোগাযোগ ও গণমাধ্যম হিসেবে বেশ আলোচিত হয়ে ফুটে উঠেছে (কবি নগর কবিদের আসরে)

সাহিত্য তাও ভাগ হয়েছিল সেই
১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর। বাংলা সাহিত্য দুটি ধারায় বিভক্ত হয় যেমন:-কলকাতা-কেন্দ্রিক
পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্য ও অন‍্যটি
ঢাকা-কেন্দ্রিক পূর্ব পাকিস্তান-বাংলাদেশের সাহিত্য হিসেবে পরিচিত লাভ করে।আজ বাংলা সাহিত্য বিশ্বের একটি অন্যতম সমৃদ্ধ সাহিত্যধারা হিসেবে পরিগণিত হয়ে আছে।এই সাহিত্য আজ আমাদের বাংলাদেশের একটি অবনব রূপে রূপান্তরিত হয়েছে অনলাইনে সাহিত্য চর্চা আসরে, সেই রকম একটি অনলাইন আসর(কবি নগর কবিদের আসর)আজ সত্যিই গর্বিত ও ধন‍্য এই ভেবে যে আমি একটি স্বনামধন্য সাহিত্য চর্চা আসরের আ্যডমিন ও উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করতে পারছি সাহিত্য নিয়ে।যেখানে উপস্থিত আছেন স্বনামধন্য ও সন্মানিত লেখক, ও কবি সহ বিভিন্ন সাহ‍্যিক ভাই বোনেরা যাদের কাছে আমি খুবই নগন্য একজন মানুষ।অনলাইনে অনেক বিষয়ের মধ্যে অন‍্যতম বিষয় হলো সাহিত্য।যা আজ পূরণের পথে(কবি নগর কবিদের আসরে) চলছে সাহিত্য চর্চা,তারই মধ্যে সর্বোচ্চ ও সুসংগঠিত ভাবে মূল‍্যায়ন ও মূল‍্যায়িত হয়েছে অনলাইনের পথে যা আজ বিশেষ স্থানে পৌঁছে গিয়েছে দ্রুত ভাবে”কবি নগর কবিদের আসর”নামে(কবি নগর কবিদের নতুন স্লোগান শুরু ২০১৯ সালের জানুয়ার থেকেই।”

“বাংলা ভাষার চর্চায়নে”
আমরা থাকবো অনলাইনে”।

আমরা (কবি নগর কবিদের আসরের) সন্মানিত সকল লেখক, কবি,সাহিত‍্যিক ও ছড়াকার সকলেই যেনো এই নতুন স্লোগানের মাধ্যমে(কবি নগর কবিদের আসরের) ধারা অব‍্যাহত ভাবে ধরে রাখতে পারি সবসময়। আমরা ক্রমাগত ভাবে এগিয়ে যাবো নতুন ধারার পথে যেখানে থাকবে সাহিত্য চর্চা আর থাকবে আলোকিত মানূষের মাঝ থেকে সৃষ্টি হওয়া সাহিত‍্যিক ও লেখক। (কবি নগর কবিদের) আসরের সাহিত্য চর্চা নিয়ে যার সাহিত্য অঙ্গনে পথযাত্রা শুরু সেই সন্মানিত (কবি নগর কবিদের আসরের)প্রতিষ্ঠাতা ও কবি জনাব “ছাদির হোসেন ছাদি” ভাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও সালাম,এছাড়াও আছেন সকলের কাছে পরিচিত এক নাম সাহিত্য অঙ্গনে সেই প্রিয় কবি,ছড়াকার ও সাহিত‍্যিক “kazi Hafeez Mahmud,আরো অনেকেই আছেন আমাদের(কবি নগর কবিদের আসরকে)সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সবসময় যারা সকলেই সাহিত‍্যকে ভালো বাসেন মনেপ্রাণে আমি সকল সন্মানিত কবি,লেখক মহোদয়গণের নাম উল্লেখ করে যাবো যথাযথ ভাবে:-
(Rehana Hasan,Ribly Chowdhury Dot, Krishna Bose,Shiekh Nozir,Ferog Khan, Alomgir Chowdhury,Md.Jalil, Monir Ahmed Rahel and Ronglise Art.) সকল কবিদের জানাই প্রাণঢালা ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা।

আমরা সবসময় লিখবো আমাদের দেশ নিয়ে,আমাদের দেশের অসহায় গরীব দুখীদের জীবন নিয়ে, এবং নারীদের জীবন নিয়ে যেখানে নারীদের সন্মান থাকবে মহান আল্লাহর পরেই।আমরা নারীদের সবসময় মূল‍্যায়ন করবো আমরা,নারীদের মূল‍্যবোধ ইত‍্যাদি বিষয় নিয়ে লিখে যাবো সবসময়।(কবি নগর কবিদের) আসরের মাঝে)। সাহিত্যের উন্নতির জন্য সাহিত্য চর্চা চালিয়ে যাবো বিভিন্ন লেখার মাধ্যমে।সাহিত‍্যিক ও সাহিত‍্যের কথা যেনো দেশ বিদেশের সাহিত্য অঙ্গনে ছড়িয়ে দিতে পাড়ি ঠিক ভোরের উদিত হওয়া সূর্যের আলোর মতোই।

পরিশেষে কবি নগর কবিদের আসরের একজন সাধারণ সদস্য হিসেবে সাহিত্যের প্রতি সন্মানবোধ বজায় রাখতে চেষ্টা থাকবে আমার।আমি সবিনয় অনুরোধ করব সকলকে সবসময়। এই সামান্য লেখার পরিসমাপ্তি করবো সকলের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে।আমি সবসময় (কবি নগর কবিদের) আসরের শুভকামনা ও উন্নতির আশা রেখেই মহান আল্লাহর নিকট দোয়া কামনা করছি। পরিশেষে সকল সদস্য,পাঠক ও সন্মানিত লেখক ও কবিদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বিদায় নিলাম।আল্লাহ আপনাদের সকলকে সুখে শান্তিতে রাখুন এই দোয়া রইলো(কবি নগর কবিদের আসরের সকলের প্রতি)।