অনলাইন ডেস্ক : ঢাকার কেরাণীগঞ্জে নাজমুল সাকিব নামে এক শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে জানিয়েছে তার পরিবার।
শনিবার দুপুরে কেরানীগঞ্জের শহীদ নগর এলাকায় তার মামার বাড়ির একটি কক্ষের দরজা ভেঙে তার সাকিবের লাশ উদ্ধার করে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে পাঠায় পুলিশ।
শাকিব গোপালগঞ্জের মোকসেদপুর এলাকার শফিকুজ্জামান পান্নার ছেলে। সে এ বছর সরকারী শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অকৃতকার্য হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শাকিব এসএসসি পরিক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছিল। এসএসসি পাসের পর সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসিতে ভর্তি হয় সে। এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের পর এবারও জিপিএ-৫ পাবে বলে সে তার পরিবারের সদস্যদের জানায়। তবে ফল প্রকাশের পর দেখা যায়, শাকিব পাস করতে পারেনি, অকৃতকার্য হয়েছে পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে। এরপর থেকে সে চরম হতাশায় ভুগতে শুরু করে। তার বন্ধুদের অনেকে জিপিএ-৫ পাওয়ায় শাকিবের হতাশা আরও বেড়ে যায়। এই হতাশা থেকেই সে শনিবার গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে মনে করছেন তার পরিবারের সদস্যরা।
শাকিবের মামা রাশেদুজ্জামান বলেন, তার ভাগ্নে রাজধানীর মীরপুর এলাকায় তার বন্ধুদের সঙ্গে এক বাসায় থেকে পড়াশুনা করতো। পরীক্ষার রেজাল্টের পর শাকিব তার কেরানীগঞ্জের বাসায় বেড়াতে আসে। তার বাসায় আসার পর থেকে তেমন কথা বলছিল না শাকিব। এরই মধ্যে শনিবার দুপুরে শাকিব তার বাসার একটি কক্ষের দরজা বন্ধ করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। পুলিশকে খবর দিলে বাসার দরজা ভেঙে শাকিবের লাশ উদ্ধার করে।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকের মোহাম্মদ যুবায়ের বলেন, শাকিব এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। তার পরিবারের ধারণা, পরীক্ষায় রেজাল্ট ভালো করতে না পেরে শাকিব আত্মহত্যা করছে।