পটুয়াখালী সংবাদদাতা: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় স্থানীয় ফাম্মের্সী  গুলোতে হঠাৎ করে জ্বর-সর্দি-কাশির ওষুধের সংকট দেখা দিয়েছে । চাহিদা অনুযায়ী কাঙ্খিত কোম্পানীর ওষুধ না পেয়ে বিপাকে পড়েছে স্থানীয় ব্যবসায়ী সহ রোগীরা। ওষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধিরা বলছে, কাঁচামালের সংকটের কারনে কোম্পানীর সরবরাহ কম, ফলে ওষুধের এ সংকট দেখা দিয়েছে। অপরদিকে ছোট ওষুধ ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বড় বড় দোকান গুলোতে মজুদ থাকার কারনে এমন সংকটের সৃষ্টি হয়েছে ।

জানা গেছে, কলাপাড়া পৌরশহর সহ উপজেলার ১২ টি ইউনিয়নে অন্ততঃ তিন শতাধিক
ফার্ম্মেসী রয়েছে। এসব দোকান গুলোতে স্কয়ার এবং বেক্সিমকো কোম্পানীর জ্বর-সর্দি,কাশির ওষুধের তুলনামূলক বেশী চাহিদা রয়েছে। জ্বরের ওষুধ হিসেবে নাপা সিরাপ কিংবা ট্যাবলেট অথবা এইস সিরাপ কিংবা ট্যাবলেট সহ সমগোত্রীয় ওধুষ চিকিৎসকরা প্রেসক্রিপশন করে থাকে। সে হিসেবে রোগীরা সাধারনতঃ এ ওষুধ গুলো ক্রয় করেন বেশী। গত এক মাস ধরে এ ওষুধ গুলোর সংকট দেখা দিয়েছে। এতে রোগীরাও পড়েছে বিপাকে।

এ ব্যাপারে কলাপাড়া পৌর এলাকার ওষুধ ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ সেন জানান, দীর্ঘ এক মাস হয় এ কোম্পানীর নাপা গ্রুপ এবং এইচ গ্রুপের ওষুধ গুলো অর্ডার করলেও তা পাওয়া যাচ্ছে না। অথচ কতিপয় বড় বড় দোকান গুলোতে বিশেষ ব্যক্তিরা এ ওষুধ পাচ্ছে বলে গ্রাহকদের কাছ থেকে জানা গেছে।

বেক্সিমকো কোম্পানীর কলাপাড়া উপজেলা মেডিকেল রিপ্রেজেন্টটেটিভ  অনুপম মধূ
জানান, কাঁচামাল সংকটের কারনে গত মার্চ মাস থেকে এ সংকট দেখা দিয়েছে ।

স্কয়ার কোম্পানীর মেডিকেল রিপ্রেজেন্টটেটিভ মো. মাহফুজুর রহমান জানান, ইতিমধ্যে জ্বরের রোগীদের সংখ্যা বেশী থাকায় এ ওষুধ গুলো প্রয়োজনের তুলনায় বেশী কিনছে মানুষ। ফলে সংকট দেখা দিয়েছে ।

উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সেরর ইমার্জেন্সী বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ একমাস ধরে বিভিন্ন রোগ নিয়ে যারা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে তার বেশীর ভাগ রোগী জ্বর নিয়ে আসছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও  পরিবার -পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. চিন্ময় হাওলাদার জানান, জ্বর বিভিন্ন রোগের উপসর্গ হতে পারে । তবে অধিকাংশ রোগী এখন জ্বর নিয়ে আসছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।