দিবাকর সরকার, কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় এক পল্লী চিকিৎসকের বাড়ীতে দূর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে স্বর্নালংকার ও নগদ টাকা লুট করে নিয়েছে। উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নের মম্বীপাড়া গ্রামে পল্লী চিকিৎসক নারায়ন চন্দ্র
হাওলাদারের বাড়ীতে রবিবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। এসময় বাড়ীতে কেউ না থাকার সুযোগে পল্লী চিকিৎসক নারায়ন চন্দ্র’র মাতা কুসুম রানী হাওলাদার(৬০) কে ঘরের খাটের সাথে বেঁধে বেধড়ক মারধর করে। ৮ ঘন্টা বাঁধা অবস্থায় থাকার পর পাশের বাড়ীর লোকজন সোমবার সকাল ৭টার দিকে তাকে উদ্ধার কওে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।
স্থানীয়রা জানায়, রাত ১২ টার দিকে ৩/৪ জনের একদল দুর্বৃত্ত ঘরের টিন কেটে ভিতরে ঢুকে কুসুম রানীকে একা পেয়ে তার দু’হাত মধ্যঘরের খাটের সাথে বেঁেধ ফেলে এবং মুখের ভিতর গামছা ঢুকিয়ে রাখে। এসময় দূর্বৃত্তরা মারধর করার এক পর্যায়ে লাথি মেরে তার বাম পা ভেঙ্গে ফেলে। এছাড়া তার পরিধেয় স্বর্নালংকার লুট করে নেয়ার সময় তার ডান কান ছিঁেড় যায়। দুর্বৃত্তরা
অন্তত: তিন ঘন্টা হামলা চালিয়ে বাড়ীর সকল আসবাবপত্র তছনছ করেছে। ঘটনার সময় কুসুম রানী হাওলাদারের ছেলে নারায়ন কলাপাড়া পৌরশহরে তার ভাড়াটিয়া বাড়ীতে অবস্থান করছিল। তবে দুর্বৃত্তরা ডাক্তার নারায়ন চন্দ্রকে খুজঁছিল।
আহত কুসুম রানী হাওলাদার জানান, দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢোকার পর সে হতভম্ব হয়ে যায়। তারা তার ছেলেকে খুজঁছিল। এসময় তার দু’হাত বেঁধে মুখের ভিতর গামছাঢুকিয়ে রাখে। তাকে শরীরের বিভিন্ন অংশ কিল-ঘুসি মারে, এছাড়া বাম পায়ে লাথি মেরে পা ভেঙ্গে ফেলে।
পল্লীী চিকিৎসক নারায়ন চন্দ্র হাওলাদার জানান, ওই বাড়ীতে শুধু তার মা এবং তিনি থাকেন। ঘটনার দিন তিনি কলাপাড়া পৌরশহরের ভাড়াটিয়া বাড়ীতে ছিলেন। তবে তার মায়ের মুখে ঘটনা শুনে তিনিও ধারনা করছেন, যারা এসেছিলেন তারা তাকে টার্গেট করেই এসেছিল।
মহিপুর থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, তার কাছে কেউ কোন অভিযোগ দেননি। তবে পুলিশ পাঠিয়ে ব্যবস্থা নিবেন বলে তিনি জানান।

News Editor : Ganash Chanro Howlader. Office: 38-42/2 Distillery Road, 1st floor, Gandaria, Dhaka-1204.