কলাপাড়া প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়ার মহিপুরে এক কন্যা শিশুকে মারধর করে আহত করার ঘটনার ৪৮ ঘন্টা পরও মামলা নেয়নি পুলিশ। নির্যাতিত শিশুটি বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. জেএইচ খান লেলিনের অধীনে চিকিৎসাধীন রয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় উপজেলার মহিপুর সদর ইউনিয়নের নজিবপুর গ্রামে এ শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটে।
নির্যাতিত শিশুটির মা মাকসুদা বেগম থানায় অভিযোগ করতে গেলে পুলিশ অভিযোগটি নেয়নি বলে সে জানিয়েছেন। তবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমেপ্লক্সের ওয়ান ষ্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি)’র দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: ইদ্রিস জানিয়েছেন ভিকটিম শিশুটির পরিবার থেকে নির্যাতনের বিষয়টি তাকে জানানো হয়েছে। তিনি ষ্টেশনে না থাকায় মহিপুর থানা পুলিশকে এ বিষয়ে আইনী সহায়তা প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
জানা গেছে, শালিশ অযোগ্য একটি ঘটনার বিষয়ে শালিশ করার অপরাধে মহিপুর থানা পুলিশ সোবাহান নামের এক ইউপি সদস্য কে রবিবার সন্ধ্যায় আটক করে। এ খবর পেয়ে তার স্ত্রী, কন্যা শিশুটিকে নিয়ে থানায় দেখতে যান। বাবার সাথে দেখে করে ফেরার পথে একই এলাকার মতি, সাহেব আলী ও শাহিন সোবাহান মেম্বারের শিশু কন্যা মরিয়ম (৮) কে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করে আহত করে।
কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: জেএইচ খান লেলিন জানান, আহত শিশুটির পিঠে লাঠি দিয়ে আঘাত করার চিহ্ন রয়েছে। বর্তমানে শিশুটি তার অধীনে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মহিপুর থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, শিশু নির্যাতনের কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।