অনলাইন ডেস্ক : সরকারি চাকরিতে কোটা নিয়ে করণীয় নির্ধারণে গঠিত সচিব কমিটির মেয়াদ ৯০ কার্যদিবস বৃদ্ধি করেছে সরকার। গতকাল বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গত ২ জুলাই মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের নেতৃত্বে কোটা সংস্কার বা বাতিলের বিষয়ে সুপারিশ প্রণয়নের জন্য সাত সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়। গতকাল ওই মেয়াদ শেষের আগেই ৯০ কার্যদিবস বৃদ্ধি করে প্রজ্ঞাপন জারি করল সরকার।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিদ্যমান কোটা ব্যবস্থার সংস্কার করা হবে না কি কোটা প্রথা পুরোপুরি উঠিয়ে দেয়া হবে সে বিষয়ে ওই কমিটি সুপারিশ প্রদান করবে। কোটা সংস্কার ছাত্র আন্দোলন পরিষদের অব্যাহত আন্দোলনের মুখে গত ১১ এপ্রিল জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘কোটা যখন কেউ চায় না তখন তা রাখার দরকার নেই।’ অবশ্য এ ঘোষণার আগেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে কোটা সংস্কারের বিষয়ে কী করা যায় তা পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু এক শ্রেণির ছাত্রদের কোটা বিরোধী আন্দোলনের নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাসভবন ভাঙচুর ও সহিংসতা শুরু হলে প্রধানমন্ত্রী ওই ঘোষণা দেন। সংসদে দেয়া প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও উপজাতিদের জন্য চাকরিতে বিশেষ ব্যবস্থা সংরক্ষণের কথাও বলা হয়।
প্রসঙ্গত বিদ্যমান ব্যবস্থায় সরকারি চাকরিতে মেধায় ৪৫ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ৩০ শতাংশ, জেলা ১০ শতাংশ, নারী ১০ ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ৫ শতাংশ কোটা রয়েছে। কোনো কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে প্রতিবন্ধীদের মধ্য থেকে এক শতাংশ নিয়োগের বিধান রাখা হয়েছে।
ইত্তেফাক