রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ‘বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে খাদ্য নিরাপত্তায় কৃষি ও গণমাধ্যম’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য রাখেন তথ্য ও  সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

রোববার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ‘বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে খাদ্য নিরাপত্তায় কৃষি ও গণমাধ্যম’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, প্রতি বছর দেশে এক শতাংশ কৃষিজমি কমে যায়। এভাবে প্রতি বছর যদি দুই লাখ একর কৃষিজমি হারিয়ে যায়, তাহলে এক সময় দেশে আর কৃষিজমি থাকবে না। ২০ বছর পর বাংলাদেশে লোকসংখ্যা আরো ৪ কোটি বৃদ্ধি পাবে, আর ৪০ লাখ একর কৃষিজমি কমে যাবে। তখন বর্ধিত জনসংখ্যার খাদ্য নিরাপত্তার কী হবে সেজন্য জনসচেতনতা প্রয়োজন। একইসঙ্গে যারা এই ক্ষেত্রে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করছেন তাদের এ বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমার কাছে যখন চট্টগ্রামের কোনো রাস্তা প্রশস্ত করার প্রস্তাব আসে তখন আমি সেখানে যে কৃষিজমি নষ্ট হবে, পাহাড়-বন কাটতে হবে, পরিবেশ-প্রকৃতি সম্পর্কে এ বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে সত্যিকার অর্থে রাস্তা প্রশস্ত করার প্রয়োজন নির্ধারণ করতে বলি। একইসঙ্গে এখন কৃষি শ্রমিকের যে মজুরি তা দিয়ে কৃষিতে খুব বেশি লাভ থাকে না বলে অনেক জমি অনাবাদি পড়ে থাকে। কৃষিকে সম্পূর্ণ যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে অনাবাদি জমিতে আবাদ করা গেলে খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সহজ হবে। গণমাধ্যম এক্ষেত্রে জনগণ ও এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্তদের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে বিরাট ভূমিকা পালন করতে পারে।

কৃষি সচিব মো. সায়েদুল ইসলামের সভাপতিত্বে কৃষি তথ্য সার্ভিস আয়োজিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতা রাখেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।