লঞ্চঘাটে নেমেই স্থানীয়দের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হন মাহমুদুল হাসান জয় ও শামীম পাটওয়ারী। পরে একে একে চাঁদপুর পৌরসভা, জেলা প্রশাসন, ক্লেমন ক্রিকেট একাডেমির পক্ষ থেকে দেওয়া হয় সংবর্ধনা
ভালোবাসা আর উচ্ছ্বাসে বিশ্বকাপজয়ী অনুর্ধ্ব-১৯ দলের দুই যুবা টাইগার জয় ও শামীমকে বরণ করে নিয়েছেন চাঁদপুরের ক্রিকেটপ্রেমীরা। একাধিক সংবর্ধনা আর মিষ্টিমুখ করিয়ে বিশ্বকাপজয়ী দলের দুই সদস্যকে ঘিরে উৎসবে মেতে উঠেছিলেন জেলার মানুষ।
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ফেরেন তারা। বৃহস্পতিবার যান গ্রামের বাড়িতে। বিশ্বকাপজয়ী দলের দুই ক্রিকেটারের বাড়িতে আসার খবর পেয়ে এদিন সকাল থেকেই চাঁদপুর লঞ্চঘাটে ভিড় করতে শুরু করেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।
অবশেষে বেলা ১১টার দিকে তাদের বহন করা লঞ্চটি চাঁদপুর ঘাটে নোঙর ভক্ত-অনুরাগীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরে পালা শেষ হয়।
লঞ্চঘাটে নেমেই স্থানীয়দের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হন মাহমুদুল হাসান জয় ও শামীম পাটওয়ারী। পরে একে একে চাঁদপুর পৌরসভা, জেলা প্রশাসন, ক্লেমন ক্রিকেট একাডেমির পক্ষ থেকে দেওয়া হয় সংবর্ধনা। দুই ক্রিকেটারকে সঙ্গে নিয়েই শহরে বের করা হয় আনন্দ শোভাযাত্রা।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ক্রিকেটার শামীম বলেন, এতো বড় অর্জন অবশ্যই ভালো লাগার মতো একটা বিষয়। দেশবাসীর সাপোর্টের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।
মাহমুদুল হাসান জয় বলেন, আমরা আত্মবিশ্বাস নিয়েই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করেছিলাম। কারণ, এই টুর্নামেন্টের জন্য গত দুই বছর ধরে আমরা ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছিলাম।
বিশ্বকাপজয়ী অনুর্ধ্ব-১৯ জাতীয় ক্রিকেট দলের দুই সদস্য শামীম ও জয়কে ফুল দিয়ে বরণ করে নিয়েছে চাঁদপুরবাসী ঢাকা ট্রিবিউন তিনি আরও বলেন, দেশবাসী খুশি, চাঁদপুরবাসী খুশি। তাই আমরাও অনেক খুশি।
এই সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেছেন তিনি।
জয় আরও বলেন, এখন আমাদের লক্ষ্য পরবর্তী প্রিমিয়ার লিগ টুর্নামেন্ট।
অনুষ্ঠানে চাঁদপুরের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান বলেন, দুই কৃতি ক্রিকেটারকে জেলা প্রশাসন ও ক্রীড়া সংস্থার মাধ্যমে নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়া হবে। আমি আশা করি, তাদেরকে দেখে জেলার অন্য ক্রিকেটাররাও উৎসাহিত হবে এবং শামীম-জয় হওয়ার স্বপ্ন দেখবে।
ক্রিকেটার মাহমুদুল হাসান জয়ের বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের চরদুঃখিয়া ইউনিয়নের রামপুর গ্রামে আর একই উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ধানুয়া গ্রামের সন্তান শামীম পাটওয়ারী।