তিনি বলেন, কাঁচা চামড়ার সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকল্পে স্থায়ী কর্মপরিকল্পনা নিতে হবে। শুধু ঈদ কেন্দ্রিক কার্যক্রম দিয়ে এ রকম একটি বৃহৎ এবং সম্ভাবনাময় শিল্পখাতের পরিপূর্ণ বিকাশ সম্ভব নয়।
বুধবার রাজধানীতে চামড়া শিল্পখাতের উন্নয়নে সুপারিশ প্রদান ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত টাস্কফোর্সের পঞ্চম সভায় সভাপতির বক্তৃতায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ভার্চুয়ালি এ সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানা প্রমুখ সংযুক্ত ছিলেন।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, চামড়ার বাজার তৈরি হয়েই আছে। বাইরে থেকে গবাদিপশু কিনতে হচ্ছে না। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে সহজেই খাতটিকে লাভজনক করার সুযোগ আছে। সেই সঙ্গে এর মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করাও সম্ভব।
ঈদ মৌসুমে চামড়া সরবরাহ বেশি হওয়ায় অনেক সময় ন্যায্য দাম পাওয়া যায় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, এক্ষেত্রে প্রয়োজনে সরকারিভাবে চামড়া কেনার উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে। স্থানীয়ভাবে চামড়া কিনে লবণ দিয়ে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করলে প্রান্তিক পর্যায়ে চামড়ার ভালো দাম পাওয়া যাবে।