অনলাইন ডেস্ক : চাঁদার দাবিতে চট্টগ্রাম নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল আজিম রনির এক কোচিং সেন্টারের মালিককে উপর্যপুরি চড় মারার দৃশ্য ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। রনির বিরুদ্ধে গতকাল বৃহস্পতিবার জিইসি মোড়ের ইউনিএইড কোচিং সেন্টারের পরিচালক মোহাম্মদ রাশেদ মিয়া পাঁচলাইশ মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। এরআগে নগরীর বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষকে মারধরেরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এদিকে মারধরের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর রনি তার পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে চিঠি দিয়েছেন। এছাড়া তার ফেইসবুকে বিষয়টির ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তিনি। ওই ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, ওই কোচিং সেন্টারের মালিকের সঙ্গে তার যৌথ ব্যবসা রয়েছে। ব্যবসায় অনিয়ম করার কারণে এই অনাকাঙ্খিত ঘটনাটি ঘটেছে। পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহিউদ্দিন মাহমুদ ইত্তেফাককে বলেন, রাশেদ মিয়া গতকালই অভিযোগটি করেছেন। অভিযোগে তিনি বলেন, ছাত্রলীগ নেতা রনি তার কাছে চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা আদায় নিয়ে তার ওপর শারীরিকভাবে হামলা চালান। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই ঘটনার নেপথ্যে কী কারণ রয়েছে তা বলা সম্ভব নয়। অভিযোগে আরো ৭-৮ জনকে এই ঘটনার জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে।

এক বিবৃতিতে রনি বলেন, বিগত দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে ইউনিএইড এর অংশীদার হিসেবে তা পরিচালনা করে আসছিলেন। আর্থিক লেনদেন রাশেদ মিয়া নিজ দায়িত্বে পালন করতো। বিভিন্ন সময়ে আর্থিক লেনদেনের গড়মিল দেখা ধরা পড়ে। এই নিয়ে তার সঙ্গে আমার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। রাতে বিষয়টি আবার মীমাংসও করা হয়। এই নিয়ে গত দুই মাস কোন অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ করা হয়নি। গত ১০ এপ্রিল আমার পাওনা টাকা ফেরত দেয়ার কথা থাকলেও সে ১৩ এপ্রিল রাতে মাত্র ৩৫ হাজার টাকা নিয়ে আমার কাছে উপস্থিত হয়। বর্তমানে সে বাকি টাকা না দেওয়ার জন্য গত দুই মাস আগের ভিডিওটি গণমাধ্যমকে সরবরাহ করে আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করে। তার কাছে চাঁদা দাবির যে অভিযোগ তিনি করেছেন তা সঠিক নয়।