শুক্রবার ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরীর আদালত কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা উপপরিদর্শক সাইফুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।
এদিন আসামি অনিমেষ ভট্টাচার্যকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। এ সময় আসামির পক্ষে তার আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে, শ্লীলতাহানি ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টর থেকে অনিমেষ ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করে উত্তরা-পশ্চিম থানা পুলিশ।
ভুক্তভোগী ছাত্রী তার অভিযোগে বলেছেন, গত ৬ জুলাই রাতে নাহিদুল ঐ ছাত্রীকে নিজ বাসায় বারবিকিউ পার্টিতে আমন্ত্রণ জানান। পার্টিতে কে কে আছে, জানতে চাইলে নাহিদুল জানান, কয়েকজন সহপাঠী ও শিক্ষক কুমার অনিমেষ ভট্টাচার্য আছেন। এত রাতে যাওয়া সম্ভব না বলে জানান ঐ ছাত্রী। পরে নাহিদুলের জোরাজুরিতে রাজি হয়ে দুই ছোট ভাইকে নিয়ে উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরে যান তিনি। ‘স্যারের সঙ্গে দেখা করে চলে আসব’, বলে ছোট দুই ভাইকে নাহিদুলের বাসার নিচে অপেক্ষা করতে বলেন ঐ ছাত্রী।
নাহিদুলের বাসায় যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনিমেষ দরজা বন্ধ করে শ্লীলতাহানি করেন। সেখান থেকে পালিয়ে আসলে অনিমেষ ও নাহিদুল ঐ ছাত্রীকে ফোন করে এ ঘটনা কাউকে না জানানোর জন্য হুমকি দেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রী গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে অনিমেষ ও নাহিদুলের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।