লিটন দাস

ওয়ানডেতে বাংলাদেশের আগের সবচেয়ে বড় জয় ছিল শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে

ব্যাটসম্যানদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ের পর আগুনে বোলিং। ব্যাটে-বলে এমন দুর্দান্ত পারফরমেন্স দেখিয়েই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৬৯ রানের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। আর এটিই সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ের রেকর্ড টাইগারদের।

ওয়ানডেতে বাংলাদেশের আগের সবচেয়ে বড় জয় ছিল শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। ২০১৮ সালে মিরপুরে হওয়া ওই ম্যাচে ১৬৩ রানের জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ।

রবিবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের দেয়া ৩২২ রানের জবাবে মাত্র ১৭০ রানে সবকটি উইকেট হারিয়ে ফেলে সফরকারীরা।

সাইফউদ্দিন, মাশরাফি ও মুস্তাফিজুর রহমানের গতির পর মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলামের বোলিং ঘূর্ণিতে শুরু থেকেই ধুঁকতে থাকে জিম্বাবুয়ে। সফরকারীদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৫ রান করেন অভিষিক্ত ওয়েসলি মাধেভেরে।

এর আগে লিটন দাসের দুর্দান্ত শতক ও মোহাম্মাদ মিথুনের অর্ধশতকের পর শেষ ওভারে সাইফুদ্দিনের ঝড়ো ইনিংসের সৌজন্যে ৬ উইকেটে ৩২১ রান করে মাশরাফি বিন মুর্তজার দল।

ওপেনিংয়ে নেমে তামিম ইকবাল ধুঁকলেও শুরু থেকেই সাবলীল ছিলেন লিটন। নিজেকে খুঁজে ফেরা লিটন আজ ৯৫ বলে তুলে নেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় শতক।

২০১৮ সালে এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি করেছিলেন লিটন। দুইবছর পর পেলেন আরেকটি। তবে ১০৫ বলে ১২৬ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মোঠ না ছাড়লে কে জানে কোথায় থামতেন তিনি!

লিটস মাঠ ছাড়ার সময় ক্রিজে থাকেন মিথুন ও মাহমুদউল্লাহ। ২৮ বলে দুই ছক্কা ও এক চারে ৩২ রান করে মাহমুদউল্লাহ ফিরলেও নিজের অর্ধশতক পূরণ করেই ফেরেন মিথুন (৪১ বলে ৫০)।

শেষের দিকে ছোট কিন্ত সবচেয়ে বড় ঝড়টি তোলেন দীর্ঘদিন পর দলে ফেরা পেস অলরাউন্ডার সাইফুদ্দিন। এমপোফুর শেষ ওভারে তিন ছক্কায় ২২ রান নেন তিনি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশর ব্যাটিং: ৫০ ওভারে ৩২১/৬ (লিটন ১২৬* (রিটায়ার্ড হার্ট), তামিম ২৪, শান্ত ২৯, মুশফিক ১৯, মাহমুদউল্লাহ ৩২, মিঠুন ৫০, সাইফউদ্দিন ২৮*, মিরাজ ৭, মাশরাফি ০*)

জিম্বাবুয়ের বোলিং: এমপোফু ১০-০-৬৮-২, মুম্বা ৮-০-৪৫-১, মাধেভেরে ৮-০-৪৮-১, টিরিপানো ৭-০-৫৬-১, রাজা ১০-০-৫৬-০, মাটুমবডজি ৭-০-৪৭-১।

জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং: ৩৯.১ ওভারে ১৫২ (কামুনহুকামউই ১, চিবাবা ১০, চাকাভা ১১, টেইলর ৮, মাধেভেরে ৩৫, রাজা ১৮, মুতুমবামি ১৭, মুটুমবোদজি ২৪, টিরিপানো ২, মুম্বা ১৩, এমপোফু ৯*)

বাংলাদেশের বোলিং: মুস্তাফিজ ৬-০-২২-১, সাইফ ৭-০-২২-৩, মাশরাফি ৬.১-০-৩৫-২, তাইজুল ৯-২-২৭-১, মিরাজ ৮-১-৩৩-২, মাহমুদউল্লাহ ৩-০-১২-০।