দর্পণ ডেস্ক : আফগানিস্তানের লক্ষ্যটা ছিল মাত্র ১১৬ রান। প্রথম ওভারেই জীবন পাওয়া হজরতউল্লাহ জাজাইয়ের হার নামা হাফসেঞ্চুরিতে ১৪ বল হাতে রেখেই সেটা পেরিয়ে গেল আফগানিস্তান। ৮ উইকেটের বড় জয়ে দুই ম্যাচের সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করেছে রশিদ-নবীরা। প্রথম ম্যাচে ৬১ রানে জিতেছিল বাংলাদেশ। এই হারে বড় ক্ষতি হয়েছে বাংলাদেশের। টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে টাইগাররা নেমে যাবে ১০ নম্বরে। ম্যাচের আগে ২৩২ রেটিং নিয়ে আফগানিস্তানের অবস্থান ছিল আট নম্বরে। মাত্র ১ রেটিং পিছিয়ে বাংলাদেশ ছিল নবম স্থানে। আজকের ম্যাচে জিতলে ১ পয়েন্ট পেত বাংলাদেশ, অন্যদিকে ২ পয়েন্ট হারাতো আফগানরা। কিন্তু মিরপুর শেরেবাংলায় উল্টো ঘটনা ঘটলো। সিরিজ নির্ধারণী টি-২০তে আগে ব্যাট করে পুরো ২০ ওভার খেলে ৯ উইকেটে ১১৫ রান করে বাংলাদেশ। মিরপুরে টসে জিতে ব্যাটিং নেন অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। শুরু থেকেই নড়বড়ে ছিল বাংলাদেশ। টপ অর্ডারদের কেউ বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। সর্বোচ্চ ৩০ রান করেন মুশফিকুর রহিম। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১ রান অধিনায়ক রিয়াদের। আগের ম্যাচের হাফসেঞ্চুরিয়ান লিটন দাস এবার ১৩ রান করে ফেরেন সাজঘরে। মুনিম শাহরিয়ার ৪ এবং নাঈম শেখ করেন ১৩ রান।
আফিফ হোসেন ধ্রুব ৭ এবং মেহেদী হাসান আউট হন শূন্য রানে। আফগানিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি করে উইকেট নেন ফজলহক ফারুকী এবং আজমতউল্লাহ ওমারজাই। রশিদ খান ও মোহাম্মদ নবীর শিকার ১টি করে উইকেট।
জবাবে দলীয় ৪ রানে রহমানউল্লাহ গুরবাজকে হারায় আফগানিস্তান। ৫ বলে ৩ রান করে মেহেদী হাসানের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। প্রথম ওভারের তৃতীয় বলেই হজরতউল্লাহ জাজাইকে জীবন দান করেন নাসুম আহমেদ। সেই জাজাই শেষতক ৪৫ বলে ৫৯ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৩ বাউন্ডারির সঙ্গে ছক্কা মেরেছেন ৫টি। তিনে নামা উসমান গনি খেলেন ৪৭ রানের ইনিংস। তার উইকেটটি নেন রিয়াদ। দারবিশ রাসুলি ৯ রানে অপরাজিত থাকেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১১৫/৯ (মুনিম ৪, লিটন ১৩, নাঈম ১৩, সাকিব ৯, মুশফিক ৩০, রিয়াদ ২১; ফারুকী ৩/১৮, ওমারজাই ৩/২২)
আফগানিস্তান: ১৭.৪ ওভারে ১২১/২ (গনি ৪৭, জাজাই ৫৯*, রাসুলি ৯*; মেহেদী ১/১৯, রিয়াদ ১/২)
ফল: আফগানিস্তান ৮ উইকেটে জয়ী
ম্যাচসেরা: আজমতউল্লাহ ওমারজাই (আফগানিস্তান)
সিরিজসেরা: ফজলহক ফারুকী (আফগানিস্তান)।
সিরিজ: ২ ম্যাচ সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ।