তিনি বলেন, প্রাথমিক যে তথ্য আমরা পেয়েছি সে অনুযায়ী খুলনায় ৯৮.৫ শতাংশ, রাজশাহীতে ৯৮.৫ শাবিপ্রবিতে ৯৭.৪৯ শতাংশ, চবিতে ৯৮. ৩৪ শতাংশ উপস্থিতি ছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও এর কাছাকাছি। সবমিলিয়ে ৯৮ শতাংশের উপরে উপস্থিতি ছিল বলা যায়।
শুক্রবার (৩ জুন) দুপুরে পরীক্ষা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা জানান অধ্যাপক গোলাম রব্বানী।
কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি উল্লেখ করে প্রক্টর বলেন, কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সংবাদ আমরা পাইনি৷ প্রত্যেক বিভাগীয় শহরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীও তৎপর ছিল। উপস্থিতিও ছিল খুব ভালো। নিরবচ্ছিন্ন শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দ্রুত কর্মজীবনে পাঠিয়ে দেওয়ার দৃঢ় অঙ্গীকার, লস্ট রিকভারি প্ল্যান নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি।
ঢাবির জনসংযোগ দফতর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ৩ জুন থেকে শুরু হওয়া ভর্তি পরীক্ষায় ভর্তিচ্ছুদের নির্বিঘ্নে পরীক্ষা কেন্দ্রে আসা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ঢাবি ক্যাম্পাসে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, জনসমাগম ও পরিবেশ দূষণ না করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পরীক্ষার দিন ক্যাম্পাসে যানবাহন চলাচল সীমিত রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে নির্দেশনা জারি করে বলা হয়, ভাসমান দোকান ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন ও লিফলেটসহ অন্যান্য প্রচারণা কার্যক্রম ক্যাম্পাসকে অপরিচ্ছন্ন করে ও চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করে। তাই পরীক্ষার দিন ক্যাম্পাসে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না।
গত বছরের মতো এবারো দেশের ৮ বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভর্তি পরীক্ষা। এর আগে, প্রথমবারের মতো ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় দেশের আট বিভাগীয় শহরে।
ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম বিভাগের কেন্দ্র চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাজশাহী), খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুলনা), বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (ময়মনসিংহ), শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (সিলেট), বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (বরিশাল) ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (রংপুর) কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা।
এবার ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় ২ লাখ ৯০ হাজার ৩৪৮ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। মোট আসন সংখ্যা ৬ হাজার ৩৫টি। সেই হিসেবে প্রতি আসনের বিপরীতে প্রায় ৪৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এবার ‘ক’ ইউনিটে ১ হাজার ৮৫১টি আসনের বিপরীতে ১ লাখ ১৫ হাজার ৭১০ জন, ‘খ’ ইউনিটে ১ হাজার ৭৮৮টি আসনের বিপরীতে ৫৮ হাজার ৫৫১ জন আবেদন করেছেন। এছাড়া ঢাবির ‘গ’ ইউনিটে ৯৩০টি আসনের বিপরীতে ৩০ হাজার ৬৯৩ জন, ‘ঘ’ ইউনিটে ১ হাজার ৩৩৬টি আসনের বিপরীতে ৭৮ হাজার ২৯ জন এবং ‘চ’ ইউনিটে ১৩০টি আসনের বিপরীতে ৭ হাজার ৩৫৭ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন।