বন্যায় প্লাবিত সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা সদর। ছবি: সংগৃহীত

বন্যায় বাড়িঘরে পানি ওঠে গেছে, ভোগান্তির মধ্যে আছেন পরিবারের সদস্যরা, কোথায় আছেন, কি করছেন কিছুই জানি না, তিনদিন হয়ে গেল, কথা হয়নি মা-বাবারে সঙ্গে বলে উৎকন্ঠা প্রকাশ করেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের দ্বিতীয়বর্ষের শিক্ষার্থী মোছা. ছাদেকা বেগম। 

পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েন ওই শিক্ষার্থী। তিনি জানান, পরিবারের সঙ্গে সর্বশেষ ১৬ জুন সন্ধ্যায় যোগাযোগ হয়েছিল। তারপর থেকে অনেকবার চেষ্টা করেও তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারিনি। পরিবারের সবাই আমাকে নিয়ে হয়তো চিন্তায় আছেন। খুব দ্রুত যেন সবকিছু ঠিক হয়ে যায়। এই আশায় বসে আছি। ওই শিক্ষার্থীর বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার কাঁমার গাওয়ে।

জানা যায়, উজানের পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে ভয়াবহ বন্যায় প্লাবিত হয় সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকা। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে লোকালয়ের মানুষের। গত ১৪ মে থেকে অবিরাম বৃষ্টিপাতের ফলে সিলেটে প্রথম বন্যা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সেই বন্যায় রেশ কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই আবারও তলিয়ে যায় এ দুই জেলার নিম্নাঞ্চলগুলো। ফলে পরিবার পরিজন ও গৃহপালিত পশুপাখি নিয়ে বিপাকে পড়েন বন্যাকবলিত এলাকার বাসিন্দাদের। বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় কেউ কারো সাথে ফোনেও যোগাযোগ করতে পারছেন না।