– এ বি সানোয়ার হোসেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।
কতটা লাভা নির্গত হয় তোমার শরীর ভিসুভিয়াস হতে;
তোমার ঠোঁটের স্পর্শে কতটা বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়;
সেই বিদ্যুৎ সঞ্চারণ কতটা আমায় পৃষ্ট করে,
খুব দেখতে ইচ্ছে করে।
তোমার অঙ্গ তাপকেন্দ্র হতে কতটা তাপ সৃষ্ট করে;
বক্ষ পাহাড় হতে তোমার কতটা ঝরনা আছড়ে পড়ে;
সে তাপে ঝলসে-পুড়ে, ঝরনা জলে সিক্ত হতে ইচ্ছে করে।
তোমার লোমের গর্তে লুকিয়ে থাকা আগুন জ্বালিয়ে;
জ্বলে-পুড়ে ভস্ম হতে খুব ইচ্ছে করে।
দেহ মাটি জুড়ে মিশে আছে তোমার কতটা আগ্নেয়শিলা;
তোমার শরীর গন্ধে মিশে আছে কতটা কর্কশ বিষ;
পান করে তোমার বুকের মৃত্যু পুড়িতে মরে যেতে;
আমার খুব ইচ্ছে করে।
কত মিলিয়ন সুপ্ত আগ্নেয়গিরি তোমার মাঝে ঘুমিয়ে আছে;
তোমার অঙ্গ ভাঁজে-ভাঁজের যান্ত্রিকতার কতটা যান্ত্রিকচাপ;
আমার দেখতে খুব ইচ্ছে করে।
তোমায় জড়িয়ে সে আগ্নেয়গিরির লাভা মাখতে
খুব ইচ্ছে করে।
তোমার অঙ্গ মেঘের কতটা গর্জন কতটা আমায় চমকে তুলে;
তোমায় স্পর্শ করলে কতটা বিদ্যুৎ চমকায় ;
কতটা বজ্রপাতের সৃষ্টি করে আমার আকাশে;
দেখতে খুব ইচ্ছে করে।
তোমার শরীরের প্রতি ফোঁটা ঘামের কতটা তাপ,
হাজার বার মাপতে ইচ্ছে করে।
তোমার অঙ্গে মিশে থাকা দেহতত্ত্ব জানতে খুব ইচ্ছে করে।