দর্শক চাহিদা বিবেচনায় ঢাকার বাইরে ময়মনসিংহ দিয়েই সিনেমার প্রচারণা শুরু করার কথা ছিল সিনেমা সংশ্লিষ্টদের। কথা মতো ঈদের দ্বিতীয়দিন দুপুরে নগরীর পূরবী সিনেমা হলে হাজির পরাণ টিম। আর মীম, রাজ ও রোহানদের সঙ্গে সিনেমা দেখতে ৩টার আগেই হাউজফুল হয়ে যায় সিনেমা হল।
এরপর সাড়ে ৩টার দিকে হলে বসে সিনেমা দেখতে দর্শক সারিতে যান মীম-রাজরা। এ সময় হলে নায়ক-নায়িকাদের কাছে পেয়ে যেমন উচ্ছ্বসিত ছিল দর্শকরা, তেমনি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা গেছে মীম-রাজদেরও। দীর্ঘদিন পর হল এমন হাউজফুল দেখে আনন্দিত হল কর্তৃপক্ষও।
বিদ্যা সিনহা মীম বলেন, পরাণ সিনেমার গল্পটা খুবই সুন্দর। যার পুরোটাই শুটিং হয়েছে ময়মনসিংহে। ঈদের দিন ঢাকার সিনেমা হলগুলো ঘুরে দেখেছি সেগুলোতে প্রচুর দর্শক হয়েছে। আজকে পর্যন্ত সবগুলো টিকিটই বিক্রি হয়েছে। আর আজ ময়মনসিংহে এসে এত দর্শক দেখে আমি খুবই হ্যাপি। হল মালিক জানালেন তিন বছর পর এই পরাণে হাউজফুল দর্শক পেয়েছেন। এভাবে কয়েকটি সিনেমায় দর্শকপ্রিয়তা পেলে হলগুলো বাঁচানো যাবে। ওনার মুখ থেকে এমন কথা শুনে আমাদের খুবই ভালো লাগছে। কারণ এই ছবিটার পেছনে আমরা খুবই কষ্ট করেছি।
চিত্রনায়ক শরীফুল রাজ বলেন, দর্শকের যে পরিমাণ সাড়া পাচ্ছি এতটা আসলেই আশা করিনি। যে পরিমাণ রিভিউ পাচ্ছি এবং হলগুলো হাউজফুল থাকছে, ময়মনসিংহে- প্রচুর ক্রাউডেড। তাতে সিনেমাটা নিয়ে খুবই উচ্ছ্বসিত এবং আশাবাদী। প্রথমে ১১টা হলে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। দর্শকের যেমন সাড়া দেখছি তাতে মনে হচ্ছে পরের সপ্তাহ থেকে আরো কিছু হল আমরা পাবো।
নগরীর পূরবী সিনেমা হলের ব্যবস্থাপক শেখ মাসুম বলেন, আমরা অনেক খুশি দীর্ঘদিন পর এমন দর্শক দেখে। এই সিমেনার সুবাদে আমরা মীম-রাজদেরও হলে পেয়েছি। করোনার পর থেকে ব্যবসা খুবই খারাপ যাচ্ছিল। হল বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলাম। কিন্তু এই সিনেমা আবারো আমাদের আশা জাগিয়েছে। এমন সিনেমা তৈরি হলে হল মালিকরা বাঁচবে, দর্শকও ফিরবে।