আব্দুল হক (পংকি), লন্ডন : সুদুর লন্ডন হতে বাংলাদেশে এসে দলীয় প্রতীক এর প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারনায় কাজ করে যাচ্ছেন যুক্তরাজ্য শাখা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী। সিলেট জেলায় ওসমান নগর উপজেলায় নির্বাচন আগামী ২ নভেম্বর ২০২২ইং তারিখ। উক্ত উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনে দলীয় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সিলেট জেলা যুবলীগের সভাপতি ভিপি শামীম আহমেদ এর পক্ষে নির্বাচনী মাঠে ভোটারদের মন জয় করার জন্য দিন-রাত পরিশ্রম করে ভোটারদের ধারে ধারে যাচ্ছেন নৌকা মার্কায় ভোটের জন্য। সংগঠন পাগল কর্মীবান্ধব এই নেতা বিদেশে অবস্থান করাকালীন যেমন দলীয় নির্দেশনায় দলীয় সকল কর্মকান্ডে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন, তেমনি দলীয় কর্মসূচি, জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে নির্বাচনী কাজে বাংলাদেশে এসে দলীয় সকল কর্মকান্ডে অংশগ্রহন করে থাকেন। আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রতিকের প্রার্থী ভিপি শামীম আহমেদকে নির্বাচনে জয়যুক্ত করার জন্য ওসমানী নগর উপজেলায় আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে সার্বক্ষনিক কাজ করে যাচ্ছেন নৌকার জয়লাভের জন্য। স্থানীয় আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ করে নিয়ে উপজেলার সকল স্তরের ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও পৌরসভার সকল ভোটারদের ধারে ধারে যাচ্ছেন নৌকার প্রার্থীর ভোটের জন্য। ওসমানী নগর উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটারদের সাথে আলোচনা করলে তারা জানায় যে, এই উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী নৌকার প্রার্থীর পক্ষে এমনভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, মনে হচ্ছে তিনিই নির্বাচন করছেন। সিলেট জেলার ওসমানী নগর থানাধীন সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীদের একটিই চাওয়া- তা হলো আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট সংসদীয় আসন-২ এ যাতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ হতে নৌকা প্রতীক এর প্রার্থী করা হয় আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীকে।
দৈনিক দর্পণ প্রতিদিনের পক্ষ থেকে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি বঙ্গবন্ধুর আর্দশে বলিয়ান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন ক্ষুদ্র কর্মী। যতদিন আমার জীবন থাকবে ততদিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন ক্ষুদ্র কর্মী হয়ে দেশ ও বিদেশের সকল জায়গায় দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে যাবো। দল ও নেত্রীর কাছে ব্যক্তিগতভাবে আমার কোনো কিছুই চাওয়ার নেই, দল যখন যে সিদ্ধান্ত দিবে আমি তা মাথা পেতে নেব। আমি শুধুমাত্র বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন ক্ষুদ্র কর্মী হয়ে নেত্রীর ভ্যানগার্ড হিসেবে আমৃত্য কাজ করে যেতে চাই।