ছবিঃ সংগৃহীত

তৃতীয় সেশন শেষে,  ৫ উইকেট হারিয়ে ৩৪০ রান করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১০৬ রানের এগিয়ে আছে ক্যারিবীয়রা। কাইল মায়ার্স ১২৬ রানে ও জাসুয়া ডি সিলভা ২৬ রানে অপরাজিত আছেন।

এর আগে, শুক্রবার প্রথম ইনিংসে ২৩৪ রান করে অলআউট হয়ে যায় টাইগাররা। এরপর ব্যাট করতে নেমে দেখে শোনে খেলে শত রানের জুটি গড়েন ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই ওপেনার ব্র‍্যাথওয়েট ও ক্যাম্পবেল।

আগের দিনটা দারুণ কাটানোর পর শনিবার দ্বিতীয় দিনের শুরুটাও তারা করেছিলেন সেভাবে। শনিবার প্রথম সেশনে ৭০ রান যোগ করলেও উইকেট হারায় ৪টি। বাংলাদেশ শিবিরে স্বস্তি এনে দেন পেসার শরিফুল ইসলাম, খালেদ আহমেদ ও মিরাজ। তাদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে টাইগাররা নিয়েছিল চারটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট।

ওই ৪ উইকেটে স্কোর বোর্ডে ১৩৭ রান নিয়ে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের সংগ্রহের চেয়ে ৯৭ রানে পিছিয়ে বিরতিতে যায় ক্রেইগ ব্র‍্যাথওয়েটের দল। দ্বিতীয় সেশনে ফিরে লিড নিয়ে নেয় তারা। চা বিরতির আগে ১৪ রানের লিড নিয়ে ৪ উইকেটেই স্কোর বোর্ডে তুলে ২৪৮ রান।

পরবর্তীতে তৃতীয় সেশন এ আরেকটি সাফল্যের দেখা পায় টাইগাররা। তৃতীয় সেশন ৭৪ তম ওভারে ব্লাকউড উইকেট নিয়ে খেলায় সমতা ফেরানোর চেষ্টা করেন মিরাজ। যদিও মায়ার্স ১২৬ রানে এখনো অপরাজিত আছেন। 

দ্বিতীয় দিনে ইনিংসের ২৬তম ওভারের শেষ বলে এসে সাফল্য পায় টাইগাররা। শরিফুলের বাড়তি বাউন্সে করা শর্ট পিচ বল পুল করতে গিয়ে গতির কাছে হার মানেন ক্যাম্পবেল। ক্যাচ তুলে দেন উইকেটের পেছনে দাঁড়ানো নুরুল হাসান সোহানের হাতে। ৭৯ বলে ৪৫ রান করে সাজঘরে ফিরেন তিনি। এরপর উন্ডিজ শিবিরে জোড়া আঘাত হানেন খালেদ। আর মিরাজ নেন একটি উইকেট।

ব্র্যাথওয়েট ১০৭ বলে ৫১ করে মিরাজের বলে আউট হয় মাঠ ত্যাগ করেন। এছাড়াও রেমন রিফারকে (২২) ও এনক্রোমাহ বোনারকে (০) রানে বোল্ড করেন খালেদ।