অনলাইন ডেস্ক : আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ধর্ষণকারীদের নিহত হওয়ার যে ঘটনা সম্প্রতি ঘটেছে তার পক্ষে সমর্থন দিয়েছেন জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এ সমর্থনের কথা জানান।

কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, প্রচলিত আইনে ফাঁসিতে গণধর্ষণ থামানো যাবে না। মানুষ তাৎক্ষণিক বিচার চায়।

ধামরাইয়ে চলন্ত বাসে গণধর্ষণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, একজন পোশাকশ্রমিক বাসে উঠেছিলেন। পথে অন্যরা নেমে যাওয়ার পর তাকে পর্যায়ক্রমে বাসের পাঁচজন ধর্ষণ করেছে।

ফিরোজ রশীদ বলেন, তার চিৎকারে এলাকার লোকজন পুলিশ আনিয়ে বাস আটক করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হয়েছে ঠিকই কিন্তু বিচার হবে না।

তিনি বলেন, নয় বছরের একটি মেয়েকে ধর্ষণ করে পালিয়ে গিয়েছিল, সেই ধর্ষণকারীর সঙ্গে র‌্যাবের বন্দুকযুদ্ধ হয়েছে। র‌্যাবের দুইজন আহত হয়েছেন। ধর্ষক নিহত হয়েছে। এটাই জনগণ দেখতে চায়। এই র‌্যাব সদস্যদের পুরস্কৃত করা উচিত।

টাঙ্গাইলের রুপা হত্যার ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ মামলায় আসামিদের নিম্ন আদালতে ফাঁসি হয়েছে। উচ্চ আদালতে তারা আইনের আশ্রয় নেবেন। তারপর রাষ্ট্রপতি আছেন। কবে কোন জেলে কোন শেষ রাতে ফাঁসি হবে, তার খবর কেউ রাখবে না।

কাজী ফিরোজ বলেন, বন্দুকযুদ্ধ না হলে জঙ্গি দমন করা যেত না।

ধর্ষণ মামলার সংক্ষিপ্ত বিচারে আইন সংশোধনের সুপারিশ জানান তিনি।

ফিরোজ রশীদ বলেন, এক মাসের মধ্যে সামারি ট্র্যায়াল করে বিচার করুন। না হয় তিন মাস দেন। ১২ বছর বসে কেন এদের বিচার করবেন। না হলে এই নারীদের সম্ভ্রম বাঁচানো যাবে না।