যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য মিররের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যের কিংস্টন হাল শহরের ৩১ বছর বয়সী টেরি কনিওর্থের বিরুদ্ধে গত বছর ১৯ জন শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে। গত ২৭ অক্টোবর থেকে ১২ নভেম্বর মোট ২২টি ছবি তার বন্ধুকে ম্যাসেঞ্জারে পাঠান। যার মধ্যে দুই বছরের শিশুকে ধর্ষণের ৯টি ছবি ও একটি ৩২ সেকেন্ডের ভিডিও ছিলো। ছবিগুলো দিয়ে টেরি জানান, বিগত ১০ বছর যাবত শিশুদের প্রতি তার অনেক আগ্রহ আছে।
টেরি জানান, যে ১৯ জন শিশুকে তিনি ধর্ষণ করেছেন তাদের মধ্যে ১০ জনের বয়স ১৩ বছরের কম ছিলো। আর বাকি তিনজনের বয়স খুবই অল্প ছিলো।
দুই বছরের এক কন্যা শিশুকে ধর্ষণের সময় একাধিক ছবি তুলে ফেঁসে গেলেন এক যুবক। ন্যাক্কারজনক ওই মুহূর্তের ৯টি ছবি ও একটি ভিডিও ম্যাসেঞ্জারে বন্ধুকে পাঠান তিনি। গতকাল শুক্রবার একাধিক শিশুকে ধর্ষণের দায়ে তাকে আজীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন ইংল্যান্ডের হাল ক্রাউন কোর্ট।
আমেরিকার বহুল প্রচলিত ম্যাসেজিং অ্যাপ ‘কেআইকে’ ম্যাসেঞ্জারে টেরির ছবি ভাইরাল হওয়ার পরই তা পুলিশের নজরে আসে। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হলে তার মুঠোফোন ও আইপ্যাড থেকে ৯৬৫টি ধর্ষণের ছবি ও ছয়টি ভিডিও সংগ্রহ করা হয়।
নির্যাতনের শিকার এক শিশুর মা আদালতে জানান, তাদের জীবনে ঘটনার পরবর্তী প্রভাব ছিলো ‘অবর্ণনীয়’ ও জীবন বদলে যাওয়ার মতো। তার মেয়ে এখনও রাতে ‘দুঃস্বপ্ন’ দেখে এবং কান্না করতে করতে ঘুম থেকে ওঠে।
অভিযুক্ত টেরিকে আজীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তিনি কমপক্ষে আট বছর জেলে খেটে এরপর জামিনের জন্য আপিল করতে পারবেন বলেও আদেশে বলা হয়।