অনলাইন ডেস্ক : ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার পাঁচ দিন পর নার্গিস আক্তার (৪২) ও ময়না বেগম (৫০) নামের দুই বান্ধবীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার বেলা ১টার দিকে উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের সুলতানপুর এলাকার একটি পুকুর থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। নার্গিস আক্তার উপজেলার যন্ত্রাইল গ্রামের ইমান আলীর এবং ময়না বেগম পাশের আজিজপুর গ্রামের জামাল খানের স্ত্রী।

নার্গিসের বড় ছেলে তানভীর আহমেদ অভিযোগ করেন, তার মা নার্গিস আক্তার ও মায়ের বান্ধবী ময়না বেগমকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ এপ্রিল সন্ধ্যার পর নার্গিস আক্তারের মোবাইল ফোনে একটি ফোন আসে। এ সময় নার্গিসের বাড়িতে ময়না বেগম উপস্থিত ছিলেন। মোবাইল ফোনে কথা শেষ হওয়ার পর তারা দুজন ঘর থেকে বের হন।

পরে নার্গিসের মোবাইল ফোনের সংযোগ বন্ধ পাওয়া যায়। ময়নার মোবাইল ফোন খোলা থাকলেও কেউ ফোন ধরেনি। তাদের খুঁজে না পেয়ে ১০ মার্চ রাতে নার্গিসের ছেলে তানভীর আহমেদ নবাবগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার বেলা ১টার দিকে স্থানীয় এক নারী পুকুরে পানি আনতে গিয়ে ওই দুই নারীর লাশ ভেসে থাকতে দেখেন। পরে খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।

তানভীর আহমেদ তার মাকে বাবা ইমান আলী হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেন। তিনি জানান, নয় বছর ধরে তার মায়ের সঙ্গে বাবার দ্বন্দ্ব চলছে। তার বাবা এ বাড়িতে থাকেন না।

ময়না বেগমের মেয়ে শিপন আক্তার বলেন, তার মায়ের সঙ্গে কারও শত্রুতা নেই। তার মাকে যারা হত্যা করেছেন, তাদের শনাক্ত করে ফাঁসি দেয়ার দাবি জানান তিনি।

নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুল হাসান বলেন, লাশ দুটি পচন ধরেছে। তাই কোনো কিছু বোঝা যাচ্ছে না। তবে এটা হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।