অনলাইন ডেস্ক : পটুয়াখালীর বাউফলে নিজের সহসিকতায় বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেল পঞ্চম শ্রেনীর শিক্ষার্থী আয়শা আক্তার (১২)। শনিবার (১৪ জুলাই) বাউফল থানায় এসে এসআই আনোয়ার হোসেনের কাছে তাকে জোর পূর্বক বাল্য বিয়ে দেয়া হচ্ছে এমন অভিযোগ করলে বন্ধ হয়ে যায় বিয়ের সব কার্যক্রম।
আয়শা বাউফল আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেনির ছাত্রী। বাউফল পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডে একটি ভাড়া বাসায় বাবা-মায়ের সঙ্গে বসবাস করে সে। স্থানীয়রা জানায়, বাউফল সরকারি কলেজের চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারি সূর্য্যমনি গ্রামের শাহজাদা হোসেন’র ছেলে মান্নানের সঙ্গে রাজাপুর গ্রামের কামাল নাগাসীর মেয়ে আয়শা আক্তারের বিয়ের সিদ্বান্ত চূড়ান্ত করে আয়শার বাবা। বিয়েতে রাজি হওয়ার জন্য চাপ দিলে আয়শা এ বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে মারধর করে তার বাবা। বাবার মারধর সহ্য করতে না পেরে শনিবার সকালে নিজেই থানায় উপস্থিত হয়ে বাবা-মা জোড় করে তাকে বাল্য বিয়ে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন পুলিশ অফিসার আনোয়ার হোসেন’র কাছে।
বাউফল থানার এসআই আনোয়ার হোসেন জানান, মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে আয়শার বাবাকে ডেকে এনেছি। আয়শার বয়স আঠারো বছর পূর্ন না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেনা বলে গন্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে অঙ্গীকার করেছেন আয়শার বাবা কামাল।