মঙ্গলবার বিকেলে বুয়েটের কাউন্সিল ভবনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিদফতর আয়োজিত ‘পদ্মা সেতু নির্মাণে বুয়েটের ভূমিকা’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।
বুয়েট ভিসি বলেন, পদ্মা নদীর আসল রূপ অনেকে দেখেনি, আমি দেখেছি।
বাংলাদেশের নদী আর বিদেশের নদী এক নয়। বিদেশি কনসালটেন্টরা এখানে এসে কাজ করতে পারবে না। তারা যে নদী দেখেছে সে নদী আর পদ্মা নদীর প্রেক্ষাপট এক নয়। তারা কল্পনাও করতে পারবে না পদ্মা নদী কি জিনিস!
তিনি আরো বলেন, প্রমত্তা পদ্মার ওপর ব্রিজ করার সাহস যাদের আছে তাদের ধন্যবাদ দিতেই হবে। আমি মনে করি, সাত আশ্চর্যের এক আশ্চর্য হওয়া উচিত এই পদ্মা সেতু।
প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করে অধ্যাপক সত্য প্রসাদ মজুমদার বলেন, প্রধানমন্ত্রী ডোন্ট কেয়ার ভাব নিয়ে চলেছেন। তিনি চ্যালেঞ্জ করেই এগিয়ে যাচ্ছেন। ঝড়-ঝাপটা যাই আসুক না কেন বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই ভূমিকার জন্যই আজ পদ্মা সেতু বাস্তব রূপ পেয়েছে। উনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবে।
এই উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় বুয়েট সবসময় অবদান রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন উপাচার্য।
ছাত্রকল্যাণ পরিদফতের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল জব্বার খাঁন, আলোচক হিসেবে ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক অজয় দাশগুপ্ত।