ফাইল ফটো

আগামী পাঁচ বছরের জন্য নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট, ছয়টি মেজর অ্যাসোসিয়েশন ও নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে এই ঐতিহাসিক চুক্তি হয়। আগামী পহেলা আগস্ট থেকে এই নতুন চুক্তি কার্যকর হবে।

এর মাধ্যমে ইতিহাসে প্রথমবারের মত পুরুষ ও নারী ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি সমান করে চুক্তি করা হলো।

প্রতি টেস্টে পুরুদের সমান ১০ হাজার ২৫০ ডলার ম্যাচ ফি পাবেন নারীরা। ওয়ানডেতে ৪ হাজার ডলার ও টি-২০ ফরম্যাটে ২ হাজার ৫০০ ডলার পাবেন নারীরা। এছাড়া ঘরোয়া ওয়ানডেতেও সমান ৮০০ ডলার ও টি-২০তে ৫৭৫ ডলার আয় করবেন নারী ক্রিকেটাররা। প্লাংকেট শিল্ডে শুধুমাত্র পুরুষরাই ১৭৫০ ডলার করা পাবেন।

নতুন চুক্তি অনুসারে শীর্ষ ক্যাটাগরিতে থাকা নিউজিল্যান্ডের একজন নারী ক্রিকেটার বছরে ১ লাখ ৬৩ হাজার ২৪৬ ডলার পাবেন। যা আগে ছিল সর্বোচ্চ ৮৩ হাজার ৪৩২ ডলার।

নবম ক্যাটাগরিতে থাকা নারী ক্রিকেটার বছরে আয় করবেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ৯৪৬ ডলার। যা আগে ছিল ৬৬ হাজার ২৬৬ ডলার এবং সপ্তদশ ক্যাটাগরিতে থাকা ক্রিকেটারদের আয় হবে এখন ১ লাখ ৪২ হাজার ৩৪৬ ডলার। যা আগে ছিল ৬২ হাজার ৮৩৩ ডলার।

প্রতিটি মেজর অ্যাসোসিয়েশনের ঘরোয়া ক্রিকেটের সর্বোচ্চ র‍্যাংকিংধারী নারী ক্রিকেটাররা সর্বোচ্চ ১৯ হাজার ১৪৬ ডলার আয় করতে পারবেন। ষষ্ঠ র‍্যাংকিংধারীরা পাবেন ১৮ হাজার ৬৪৬ ডলার এবং ১২তম র‍্যাংকিংয়ের ক্রিকেটাররা পাবেন ১৮ হাজার ১৪৬ ডলার।

ঘরোয়া ক্রিকেটে চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড়ের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। ৫৪ থেকে ৭২ জনে করা হয়েছে সেটি।

এমন চুক্তিতে উচ্ছ্বসিত নিউজিল্যান্ডের নারী দলের অধিনায়ক সোফি ডিভাইন। তিনি বলেন, চুক্তিতে পুরুষদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়াতে সমান ম্যাচ ফি হওয়াটা নারী ক্রিকেটারদের জন্য দারুণ ব্যাপার। সামনে এগিয়ে যেতে এটি বড় পদক্ষেপ হবে এবং তরুণদের ক্রিকেটে এগিয়ে আসতে প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।