ছবি: প্রতীকী

শুক্রবার ঢাকা মহানগর হাকিম আতিকুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।  কারাগারে যাওয়া অপর আসামিরা হলেন- মো. কামাল হোসেন ও গোলাম কিবরিয়া। 

এদিন রিমান্ড শেষে তাদেরকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ৩১ মে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করে রাজধানীর ফার্মগেট, খিলক্ষেত ও কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে পল্টন মডেল থানা পুলিশ। এরপর ১ জুন তাদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। 

মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ২০ এপ্রিল আসামি মাসুদ মিয়া পুলিশ কমিশনার বরাবর অনলাইনে একটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করেন। যার রেফারেন্স নম্বর-২২০৪১৯৩২৬৫। পুলিশ ক্লিয়ারেন্সটি তদন্তকালে আবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত অনলাইন ডকুমেন্ট সন্দেহ হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে গোপনে তদন্ত পরিচালনা করা হয়। আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত ওয়ার্ড কাউন্সিলের প্রত্যয়নপত্রটি যাচাই করে প্রত্যয়নপত্রটির স্বাক্ষর ও প্রত্যয়নপত্রটি সঠিক নয় বলে ওয়ার্ড কাউন্সিলর লিখিতভাবে জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে মো. মাসুদ মিয়াকে ফার্মগেট এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মো. কামাল হোসেনকে খিলক্ষেত এলাকা থেকে ও মো. গোলাম কিবরিয়াকে কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।