প্রতীকী ছবি

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে ডোমার রেলস্টেশনে খুলনা থেকে চিলাহাটিগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ে স্বামী জবাদুল ইসলাম আত্মহত্যা করেন।

জবাদুলের নানি খদেজা বেগম বলেন, প্রায় এক মাস থেকে জবাদুল ও তার স্ত্রী মনিরার সঙ্গে বিভিন্ন কারণে ঝগড়া হচ্ছিল। ঈদের আগে জবাদুলের স্ত্রী মনিরা ঘরের জিনিসপত্রসহ পাঁচ বছরের শিশু সন্তান মনির হোসেনকে নিয়ে তার বাবার বাড়ি চলে যায়। মনিরা চিলাহাটি খানকা শরিফ এলাকার মাছ ব্যবসায়ী সলেমান আলীর মেয়ে।

তিনি আরো বলেন, জবাদুল স্ত্রীকে তার বাবার বাড়ি থেকে নিয়ে আসার জন্য গেলে মনিরা আসবে না বলে জানিয়ে দেয়।

স্থানীয়রা জানান, জবাদুলের ছোটবেলা থেকে মানসিক সমস্যা ছিল। এর আগেও তিনি বেশ কয়েকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। জবাদুলের মৃত্যুর সংবাদ দেওয়া হলেও তার স্ত্রী ঘটনাস্থলে আসেননি বলে জানান স্থানীয়রা।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পৌর ৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রুবেল ইসলাম জানান, ছোটবেলায় মায়ের মৃত্যুর পর থেকে জবাদুল রেলস্টেশন পাড়ায় তার নানির কাছে থেকেই বড় হয়েছেন। ছোটবেলা থেকেই জবাদুলের মানসিক সমস্যা ছিল। এর আগেও তিনি কয়েকবার বিভিন্ন কারণে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন।

এ বিষয়ে সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিউল ইসলাম জানান, লিখিত আবেদনের ভিত্তিতে জবাদুলের লাশ তার বাবার নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।