বুধবার যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। ছবি: এপি

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল মঙ্গলবার অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনাক ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পর থেকে পদত্যাগ করতে থাকেন অন্যরাও। একে একে মন্ত্রিসভার ৩০ জন সদস্য পদত্যাগ করলেও বরিস জনসন এখনো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে টিকে থাকার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী।

বরিস জনসনের প্রেস সেক্রেটারি বলেন, যারা পদত্যাগ করেছেন তাদের পদে অন্যদের নিয়োগ দেওয়া হবে।

এর আগে, পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে সাজিদ জাভিদ জানান, প্রধানমন্ত্রী যেভাবে সরকার পরিচালনা করছেন, তা তারা সহ্য করতে পারছেন না।

বরিসের নিজ দল কনজারভেটিভ পার্টির এমপি অ্যান্ড্রু ব্রিজেন বলেন, হুইপবিষয়ক বিতর্ক সুনাক ও জাভিদের পদত্যাগে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে। বরিসের পদত্যাগের সময় এসেছে। অবশ্য তিনি চাইলে তার মেয়াদ আরো খানিকটা সময় বাড়াতেই পারেন।

তিনি আরো বলেন, আমি ও আমাদের দলীয় অনেক এমপিই দৃঢ়প্রতিজ্ঞ যে, আগামী গ্রীষ্মে দলীয় প্রধান নির্বাচনের আগেই তাকে সরে যেতে হবে। তিনি যত দ্রুত যাবেন ততো মঙ্গল।

মন্ত্রিসভা থেকে ২৭ জনের পদত্যাগের পরিপ্রেক্ষিতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান ও ফিন্যান্সিয়াল টাইমস বলেছে, বরিস জনসনের প্রধানমন্ত্রিত্ব হুমকির মুখে।