পুলিশ বলছে, সেখানকার একটি স্কুলে ঐ ব্যক্তি লুকিয়েছিলেন।
উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন বলেন, ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর বাবা একজন মুদিদোকানি এবং মাংস ব্যবসায়ী। তার মা এবং বোনও ঐ দোকানে বসেন। আর রুবেল সেই দোকানের কর্মচারী। তিন মাস ধরে তিনি এখানে চাকরি করছিলেন।
আরো পড়ুন>
দোকানের সঙ্গে ছিল তাদের (ভুক্তভোগীর) বাসা। রুবেল প্রতিদিনই সেই বাসায় যেতেন। ১২ জুলাই বকেয়া টাকা আদায়ে বাইরে যান ভুক্তভোগীর বাবা। বাবা বাইরে যাওয়ায় সেদিন দোকানে বসেছিলেন ভুক্তভোগীর মা ও বোন। আর এই সুযোগে টিভি দেখবে বলে বাসায় যান রুবেল। বাসায় স্কুলছাত্রীকে একা পেয়ে তাকে ধর্ষণ করেন।
ওসি মহসীন আরো বলেন, রাতে সবাই বাসায় ফিরলে ধর্ষণের শিকার মেয়েটি সব বলে দেয়। এটা জানতে পেরে রুবেল পালিয়ে টাঙ্গাইলে চলে যান। পরে মেয়েটির পরিবার থানায় মামলা করলে টাঙ্গাইল সদর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।