গোফরান পলাশ, পটুয়াখালী সংবাদদাতা: অবশেষে সকল প্রতিক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামী এক
মাসের মধ্যে বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হবে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ রাঙ্গাবালী। এ লক্ষে বিদ্যুৎ’র খূঁটি, লাইন, ট্রান্সমিটার স্থাপন সহ প্রয়োজনীয় সকল কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য পল্লীবিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দিলেন এমপি মহিব।
সোমবার বিকেলে দুর্গম রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোট বাইশদিয়া এলাকায় ১০ এমভিএ
ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎ সাব-ষ্টেশন পরিদর্শনে এসে এ নির্দেশনা দেন জাতীয়
সংসদের প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ মো:
মহিব্বুর রহমান এমপি। এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গাবালী উপজেলা
আওয়ামীলীগের সভাপতি অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন, সম্পাদক সাইদুজ্জামান মামুন,
কলাপাড়া উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক অধ্যক্ষ ফাতেমা আক্তার রেখা, ঢাকা
মহানগর দক্ষিন যুবলীগের সহ-সভাপতি মুরসালিন আহমেদ প্রমূখ।
জানা গেছে, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার বাবুরহাট থেকে মুজিবনগর হয়ে
চরকাজল-চরবিশ্বাস অতিক্রম করে বুড়াগৌরাঙ্গ নদীর তলদেশ দিয়ে দুই কিলোমিটার
সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে রাঙ্গাবালী উপকেন্দ্রে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ
সংযোগ পৌঁছবে। একইভাবে পার্শ্ববর্তী উপজেলা গলাচিপার চরকারফারমা হয়ে
আগুনমুখা নদীর তলদেশ দিয়ে এক কিলোমিটার সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে
চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নে বিদ্যুৎ পৌঁছবে। চরফ্যাশন উপজেলার নজরুল নগর হয়ে
নলুয়া স্লুইসখাল থেকে সাড়ে ৮ শ’ মিটার সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে
লক্ষ্মীরচর দিয়ে চরমণ্ডলের একটি নদী দিয়ে চরমোন্তাজ ইউনিয়নে বিদ্যুৎ
সংযোগ পৌঁছবে।
অধ্যক্ষ মো: মহিব্বুর রহমানএমপি বলেন, ‘রাঙ্গাবালীতে বিদ্যুতের জন্য ২০১৯
সালের ৪ ফেব্রুয়ারি বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীকে ডিও লেটার দিয়েছি।
প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টাকে অবহিত করেছি। জাতীয় সংসদে একাধিকবার
উত্থাপন করেছি। অবশেষে সকল প্রতিক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামী এক মাসের মধ্যে
বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হবে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ রাঙ্গাবালী।’