ফাইল ফটো

৭ জুন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহির্গমন এলাকায় স্থাপন করা ১২টি এবং আগমনী এলাকায় তিনটি ই-গেট (স্বয়ংক্রিয় বর্ডার কন্ট্রোল ব্যবস্থা) পুরোদমে চালু হয়। বিমানবন্দরের পরীক্ষামূলকভাবে এ গেট ব্যবহারে দেখা গেছে, মাত্র ১৮ সেকেন্ডে একজন যাত্রী নিজের ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে পারছেন।

ই-গেট ব্যবহারের জন্য আবশ্যই ই-পাসপোর্ট থাকতে হবে। প্রথমে ই-গেটের প্রবেশ পথে পাসপোর্ট ছবি সম্বলিত স্মার্ট কার্ডের পৃষ্ঠাটি স্ক্যান করতে হবে। সেখানে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের মাধ্যমে আপনার সব তথ্য যাচাই করা হবে। সব তথ্য সঠিক পেলে ই-গেট খুলে যাবে।

এরপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেসিয়াল রিকগনিশনের মাধ্যমে পাসপোর্টের ছবির সঙ্গে আপনার মুখমণ্ডল (ফেস) মেলানো হবে। যদি মিলে যায় তাহলে দ্বিতীয় গেট খুলে যাবে। এভাবেই আপনার ইমিগ্রেশন শেষ হবে।

কোনো কারণে ই-পাসপোর্টের ছবির সঙ্গে আপনার বর্তমান মুখমণ্ডলের (ফেস) চেহারা না মিললে ই-গেট ব্যবহার করা যাবে না।

তবে ই-গেট ব্যবহারের আগে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাত্রীর ভিসা, টিকিট, লাগেজ, এবং পাসপোর্ট চেকিং সম্পন্ন করতে হবে। যাত্রীর ফ্লাইটের তথ্য, শেষ গন্তব্যস্থান, যাত্রা শুরুর স্থান, ভ্রমণের উদ্দেশ্য ও ভিসার তথ্য অবশ্যই ইমিগ্রেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ডাটাবেজে সংরক্ষিত তথ্যের সঙ্গে ই-গেট সিস্টেমে সংরক্ষিত তথ্য যাচাই করতে হবে।

বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের তত্ত্বাবধানে ই-গেটের পুরো প্রকল্পের প্রযুক্তিগত বাস্তবায়ন করেছে একটি জার্মান প্রতিষ্ঠান।