অনলাইন ডেস্ক : আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পায় তাঁর আসল পরিচয়। জানা যায়, তিনি নাকি অ্যাডাল্ট ছবির নায়িকা। একাধিক প্রচার মাধ্যমে জানানো হয় নীল ছবির সাইটে তাঁর একাধিক নাম রয়েছে।

তিনি নীল তারকা নন। আদ্যন্ত একজন সাধারণ ফুটবল ভক্ত। কার্যত নিজের পরিচয় প্রকাশ্যে জানাতে বাধ্য হলেন সুন্দরী নাতালিয়া নেমচিনোভা। লুঝনিকি স্টেডিয়ামে উদ্বোধনের দিনেই তামাম বিশ্বের হৃদয় জয় করে নিয়েছিলেন লাল-সাদা টপ পরিহিতা এক তরুণী। তাঁর সৌন্দর্যে কাত হয়ে গিয়েছিল প্রত্যেকেই।

তবে পরে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পায় তাঁর আসল পরিচয়। জানা যায়, তিনি নাকি অ্যাডাল্ট ছবির নায়িকা। একাধিক প্রচার মাধ্যমে জানানো হয় নীল ছবির সাইটে তাঁর একাধিক নাম রয়েছে— নাতালিয়া আন্দ্রেভা, অ্যানাবেল, আইশা, আমান্দা, ডেলিয়া জি, ড্যানিকা।

তবে বিশ্বজোড়া এমন নেতিবাচক খবরের শিরোনামে আসার পর নাতালিয়া জানান, তিনি মোটেই পর্ন তারকা নন। হতাশায় মুষড়ে পড়ে নাতালিয়া সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘‘অনেক পুরনো গল্প রয়েছে আমার জীবনে। পাঁচ বছর আগে এক তরুণের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল। আমাদের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর সে আমার কিছু গোপন ভিডিও অনলাইনে লিক করে দেয়। তার পরেই সমস্ত কিছুর সূত্রপাত হয়।’’

তাঁর নামের পাশে পর্ন তারকা শব্দবন্ধনী জুড়ে যাওয়ার পর নাতালিয়া রাতের পর রাত কেঁদেছেন। বিশ্বকাপের মুখই হতাশায় ভেঙে পড়েছিলেন। তিনি আরও জানান, ‘‘কখনই পর্ন সিনেমায় অভিনেত্রী হিসেবে কাজ করিনি। অর্থের বিনিময়ে শরীর বেচার তো কোনও প্রশ্নই নেই। একসময় মডেলিং করতাম। তবে সেটাও আমার স্থায়ী কাজ ছিল না।’’ সঙ্গে তাঁর সংযোজন, ‘‘অনেকেই আমাকে সমর্থন করেছেন। তাঁরা জানেন, আমার পরিচিতি।’’

২০০৭ সালে ‘মিস মস্কো’ হয়েছিলেন একাধিক সুন্দরীদের পেরিয়ে। ফুটবল-প্রেমী হিসেবে তাঁর বেশ সুনাম রয়েছে। ২০১৬ সালের ইউরো-তে দেশকে সমর্থন করতে হাজির হয়ে গিয়েছিলেন ফ্রান্সেও। আর এবারও গোটা পৃথিবীর মন জয় করে নিলেন উদ্বোধনের দিনেই।