এই জয়ে ১৯ ম্যাচে মোহামেডানের পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ২৯। পুলিশেরও আছে সমান ম্যাচে সমান পয়েন্ট। তবে গোল ব্যবধানে মোহামেডান এগিয়ে থাকায় টেবিলে পুলিশের চেয়ে এক ধাপ উপরে তারা।
বিগত দুই ম্যাচে গোল করা মোহামডোনের ফরিদপুরের ফুটবলার মোরসালিন এই ম্যাচে গোল পাননি। তবে গোল না পেলেও গোল করিয়েছেন তিনি। অবশ্য মোহামেডানকে প্রথম গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয় অনেকক্ষণ।
প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলটি করেন নাইজেরিয়ান ওবিমনেকে। শেখ মোরসালিনের দারুণ এক পাস ধরে বাঁ প্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢুকে শট নেন নাইজেরিয়ান ওবি মনেকে। তার নেয়া শট এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে আত্মঘাতী গোল হয়।
বিরতির পর আরো দুই গোল করে শফিকুল ইসলাম মানিকের দল। ৭০ মিনিটে সাদেকুজ্জামানের ডান প্রান্তের ক্রসে অধিনায়ক সোলায়মান দিয়াবাতে বক্সের মধ্যে লাফিয়ে উঠে হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। তৃতীয় গোলের পেছনে অবদান এই অধিনায়কের।
দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরির দ্বিতীয় মিনিটে বক্সের মধ্যে তার দেয়া কাটব্যাক থেকে গোর করেন ওবি মনেকে। মোহামেডান ম্যাচে প্রাধান্য বিস্তার করলেও বারিধারা গোলের দারুণ সুযোগ পেয়েছিল দুটি। ৮৬ মিনিটে বারিধারা ব্যবধান কমানোর সুযোগ নষ্ট করে।
এ সময় আরিফ খান জয় বক্সে প্রবেশ করে মোহামেডানের গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল পোস্টের ওপর দিয়ে মারেন। ম্যাচের ২৫ মিনিটে বারিধারার মোস্তফা কারাবা বারিধারাকে প্রায় লিড এনেই দিচ্ছিলেন। তার বাধা হয়ে দাঁড়ান মোহামেডানের গোলরক্ষক আহসান হাবিব।
এই হারে বারিধারার অবনমনের শঙ্কা আবার জেগে উঠল। ১৯ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ১৩। রেলিগেশন জোনে থাকা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের চেয়ে মাত্র এক পয়েন্ট বেশি। হাতে ম্যাচ রয়েছে মাত্র তিনটি।