সি বিজয়কুমার। ছবি: সংগৃহীত

এইচসিএল টেকনোলজিসের প্রকাশিত বার্ষিক রিপোর্টে এই তথ্য জানানো হয়েছে। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, বেতনরূপে নয় তার পারিশ্রমিকের সিংহভাগ এসছে লং টার্ম ইনসেন্টিভ বা দীর্ঘমেয়াদী প্রণোদনা রূপে। তাকে এই বেতন দিয়েছে এইচসিএল আমেরিকার ইঙ্ক।

বিজয়কুমার গত আর্থিক বছরের বেস বেতন ছিল ২ মিলিয়ন ডলার, অন্যান্য সুবিধা হিসাবে আরও ২ মিলিয়ন ডলার পান তিনি। সব মিলিয়ে ৪.২ মিলিয়ন ডলার (যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৯ কোটি টাকা) বেতন দেওয়া হয় তাকে। যদিও ২০২১-২২ অর্থবর্ষে তার বেতনে কোনো পরিবর্তন করা হয়নি।

গতবছর জুলাই মাসে এইচসিএলের প্রতিষ্ঠাতা শিব নাদার পদত্যাগ করার পর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসাবে বিজয়কুমারকে নিযুক্ত করা হয়। ২০২২ এপ্রিল-জুন সময়কালে এইচসিএলের রেভিনিউ বার্ষিক ১৬.৯ শতাংশ হারে বেড়ে ২৩,৪৬৪ কোটি টাকা হয়৷ ২০২২ জুন ত্রৈমাসিকের হিসাব অনুযায়ী, বার্ষিক ২.৪ শতাংশ হারে মুনাফাও বেড়েছে এই সংস্থার।

বর্তমানে সি বিজয়কুমারের পর তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি বেতন পান উইপ্রো সিইও থিয়েরি ডেলাপোর্ট। ২০২১-২১ অর্থবছরে তার বার্ষিক বেতন ৮২ কোটি টাকা। তার পরে রয়েছে ইনফোসিসের (Infosys) সিইও সলিল পারেখ। তার বেতনে ৮৮ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে। যা তাকে ভারতের সর্বোচ্চ বেতনপ্রাপ্ত শীর্ষ প্রযুক্তি নির্বাহীদের মধ্যে স্থান প্রদান করেছে।