স্টাফ রিপোর্টারঃ
সাংবাদিকতা এক মহান পেশা। সাংবাদিকদের বলা হয় সমাজের দর্পণ। আয়নার সত্যেই সমাজের মধ্যে ঘটে যাওয়া ন্যায় অন্যায় ভালো মন্দ কাজগুলো সাংবাদিকরা তাদের লেখনির মাধ্যমে তুলে ধরেন সংবাদপত্রের মাধ্যমে। সৎ ও ন্যায়ের পথে নিরপেক্ষতা অনুসরন করে লেখার কারণে পিতৃহারা সন্তানদের নিয়ে এক অসহায় মা সাংবাদিক ফারজানা মোবারক জনি নিজ বাসা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন ধর্মান্ধ মুসলিম মৌলবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী কর্তৃক পরিবার সহ হত্যার হুমকি দেয়ার কারনে। বিভিন্ন থানায় জিডি করেও প্রশাসনের কাছে কোন সহযোগিতা পায়নি ভুক্তভোগী এই সাংবাদিক ও তার পরিবারের সদস্যরা।
২২ মার্চ ২০১৫ সালে তার স্বামী দৈনিক পুনুরুত্থানের সাংবাদিক মোঃ মোবারক উল্লাহ মন্টিকে কে বা কারা গুলি করে হত্যা করে তা আজও অজানা। কোন ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারেনি ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্বজনরা। সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে ফারজানা মোবারক জনি সব সময় নিরপেক্ষ ও সততার সহিত রিপোর্ট করতেন। কতিপয় মুসলিম মৌলবাদী ধর্মান্ধ সন্ত্রাসী ও তাদের সংগঠনের অসৎ কার্যক্রমের উপর বিভিন্ন সময় পত্রিকার রিপোর্ট করাই তার জীবনের জন্য কাল হয়েছে। কর্মস্থল, বাসা ও অফিসের এ্যাসাইনমেন্ট অনুযায়ী কাজ করার সময় তাকে বহুবার হত্যার চেষ্টা ও হত্যার হুমকি দিয়েছেন মুসলিম মৌলবাদী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। মূলতঃ কতিপয় মুসলিম লেবাসধারী সংগঠন জামায়াতে ইসলাম, হেফাজতে ইসলাম, হরকাতুল জিহাদ, খেলাফত মজলিস, আই.এস ও আল-কায়দা ইত্যাদি সংগঠনের অনুসরণকারী নেতা-কর্মীরাই এই হত্যার হুমকী দিচ্ছেন। ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সদস্যরা এই ধারনাই করছেন। ফারজানা মোবারক জনি গত ১২ মার্চ ২০২২ রোজ শনিবার তিন সন্তানদের নিয়ে মিরপুরে এক মানব বন্ধন করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে পিতৃহারা সন্তানদের নিয়ে বাঁচার আকুতি জানান। মানববন্ধন শেষে ফেরার পথে পতিমধ্যে মিরপুরেই অজ্ঞাতনামা কয়েকজন সন্ত্রাসি প্রকৃতির লোক সাংবাদিক ফারজানা মোবারক জনি ও তার সন্তানদের উপর হামলা চালালে ভুক্তভোগী তাদের হামলার কারণে শারীরিকভাবে আহত হন। পরে তাদের ডাক চিৎকারে আশে-পাশের লোকজন জড়ো হলে সন্ত্রাসীরা চলে যাওয়ার সময় বলেন যে, ইসলামের বিরুদ্ধে ও হুজুরদের বিরুদ্ধে লেখিস, তোরা কেউ বাঁচতে পারবি না। তুই আমাদের হাতে মারা যাবি বলে হুমকী দিয়ে চলে যায় মুসলিম মৌলবাদী সন্ত্রাসীরা। ফারজানা মোবারক জনি সন্তানদের সহযোগিতায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে চলে আসেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে ভুক্তভোগী সাংবাদিক ফারজানা মোবারক জনির একটিই চাওয়া তা হলো তার স্বামীর মত তাকে যেন হত্যার শিকার হতে না হয়। তিনি হত্যার শিকার হলে নাবালক সন্তানদের দেখার কেউ নেই পৃথিবীতে। শিশু সন্তানরা এতিম হয়ে যাবে। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে সুষ্ঠভাবে তার পরিবারকে নিরাপত্তা দেয়ার নির্দেশ দিলে ভুক্তভোগী ও তার সন্তানদের জীবনে বেঁচে যাবে ।

News Editor : Ganash Chanro Howlader. Office: 38-42/2 Distillery Road, 1st floor, Gandaria, Dhaka-1204.