দগ্ধরা হলেন- আব্দুল মালেক (৬৫), তার স্ত্রী মোছা. নাজমা বেগম (৫০) ও তাদের নাতি মো. সাফওয়ান (৬)। তাদের উদ্ধার করে রাত ১টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেয়া হয়েছে।
দগ্ধ আব্দুল মালেকের জামাই সুজন মিয়া জানান, বড়বাগ এলাকার ২২০ নম্বর বাসার বাসিন্দা তারা। রান্নাঘরে গ্যাস লাইনে লিকেজ থেকে এ আগুনের সূত্রপাত। তার শাশুড়ি তখন বাথরুমে ছিলেন। শ্বশুর রান্নাঘরে গিয়ে রুটি ভাজার জন্য লাইটার দিয়ে গ্যাসের চুলা জ্বালানোর সময় হঠাৎ আগুন লেগে যায়।
পরে শ্বশুরকে বাঁচাতে গিয়ে শাশুড়িও দগ্ধ হন। তার (সুজন মিয়ার) ছেলে সাফওয়ানও দগ্ধ হয়। রাতেই তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. আইউব হোসেন জানান, উত্তরখান বড়বাগ থেকে তিনজন দগ্ধ হয়ে এসেছে। আব্দুল মালেকের ২০ শতাংশ, নাজমা বেগমের ১০ শতাংশ এবং সাফওয়ানের শরীরের ১৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
তিনি আরো জানান, সামান্য দগ্ধ হওয়ায় নাজমা বেগমকে চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হবে। অন্য দুজনকে ভর্তি নেয়া হয়েছে। তবে দগ্ধরা শঙ্কামুক্ত।