এ সময় তাদের কাছ থেকে অজ্ঞান ও ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত বিষাক্ত মলম, নগদ টাকা ও দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র জব্দ করা হয়।
র্যাব বলছে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ অজ্ঞানপার্টি ও ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে সর্বস্ব হারানোর পাশাপাশি আহত ও অচেতন হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। এসব ভুক্তভোগীর বেশির ভাগই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দারস্থ হয় না। ফলে সংঘবদ্ধ অজ্ঞানপার্টি বা মলমপার্টি ও ছিনতাইকারী চক্রের তৎপরতা দিন দিন বেপরোয়াভাবে বাড়ছে। এছাড়া চক্রের প্রায় সবাই মাদকাসক্ত। এ পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাপক গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে র্যাব।
আরো পড়ুন>
গ্রেফতাররা হলেন, সুনামগঞ্জের মো. পাপ্পু (২৮), চাঁদপুরের মো. জীবন (২২), বরিশালের মো. সজীব (২৬), মাদারীপুরের মো. শহিদ শেখ (৩০), ফেনীর আলাউদ্দিন (৪২), শেরপুরের মো. শফিক (১৮), শরীয়তপুরের আ. হক হৃদয় (২২), রুবেল মাতবর (৩৪) ও ফাহিম (২৩), কিশোরগঞ্জের মো. রানা (১৮), রাজধানীর শাজাহানপুরের মো. অন্তর (২৬) ও শাকিল (২৫), জামালপুরের মো. মেহেদী হাসান (২০) ও মো. শাকিল (২৫), পটুয়াখালীর মো. রাব্বী আপন (২০), রাজধানীর পল্টনের মো. আলমগীর (৪৫), নারায়ণগঞ্জের মো. মামুন শেখ (৪২), গুলিস্তানের ভাসমান মো. সজল (২৬), মুজিবুর (১৯), রিফাত উদ্দিন (২৪), হাবিব মিয়া (২২) ও আ. মান্নান (১৯), নেত্রকোনার মো. ফেরদৌস (৩২), কমলাপুর রেলস্টশনের ভাসমান মো. হানিফ ব্যাপারী (২৯), জাকির হোসেন (২৪), মো. সোহেল (১৯) ও মো. মাহাবুব ইসলাম রিয়ন (৪২)।
তারা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন এলাকায় ঘোরাফেরা করতেন। সহজ সরল যাত্রীদের টার্গেট করে কখনো তাদের ডাব, কোমল পানীয় কিংবা পানির সঙ্গে বিষাক্ত চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে খাওয়ানোর চেষ্টা করতেন। আবার কখনো যাত্রীবেশে বাস ও ট্রেনে চড়ে যাত্রীদের পাশে বসে তাদের নাকের কাছে চেতনানাশক ওষুধ ভেজানো রুমাল দিয়ে অজ্ঞান করে টাকা-পয়সা লুটে নেন। এছাড়া কখনো ভিড়ের মধ্যে যাত্রীদের চোখে-মুখে বিষাক্ত মলম বা মরিচের গুঁড়া বা বিষাক্ত স্প্রে করে যন্ত্রণায় কাতর করে সর্বস্ব কেড়ে নেন।