মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
এনডিটিভি আরো জানায়, জিএসটি বৃদ্ধিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজধানী দিল্লির কেন্দ্রস্থলে বিক্ষোভে অংশ নেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। মূল্যবৃদ্ধিসহ বিভিন্ন বিষয়ে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন তিনি।
এ সময় বিপুলসংখ্যক পুলিশ কংগ্রেসের প্রতিবাদস্থল ঘিরে রাখে। প্রায় ৩০ মিনিট পর রাহুল গান্ধীকে আটক করেন পুলিশ সদস্যরা। আটকের পর তাকে বাসে তুলে নেয়া হয়।
আটকের আগে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘ভারত একটি পুলিশি রাষ্ট্র, (প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি) একজন রাজা।’
সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, রাহুল গান্ধী এ বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তবে বিক্ষোভস্থলে তিনিই কার্যত শেষ ব্যক্তি ছিলেন, যখন পুলিশ তাকে আটক করবে কিনা তা নিয়ে আলোচনা করছিল।
এদিকে রাহুলকে আটকের প্রতিবাদ জানিয়ে রাজ্যসভার বিরোধীদলীয় নেতা এবং কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেছেন, ‘পুলিশের নির্দেশনা অনুযায়ীই আমরা প্রতিবাদ করছি। বিরোধীদের সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করতে ও আমাদের কণ্ঠস্বরকে স্তব্ধ করার জন্য এসবই প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং অমিত শাহের ষড়যন্ত্র। আমরা ভয় পাবো না, আমাদের লড়াই চলবে।’
এনডিটিভি বলছে, দিল্লির বিক্ষোভ থেকে যখন রাহুল গান্ধীকে আটক করা হয়, তখন শহরের আরেক অংশে তার মা এবং কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধীকে ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় দ্বিতীয় দফা জিজ্ঞাসাবাদ করছে ভারতের তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।
সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে তার মেয়ে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও তদন্ত সংস্থার অফিসে অবস্থান করছেন। তবে দিল্লির পার্লামেন্ট এলাকায় বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার আগে মঙ্গলবার সকালের দিকে সেখানে রাহুল গান্ধীও গিয়েছিলেন।