লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি : সরকারি অনুমতি ছাড়া ও নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে নাটোরের লালপুরে পদ্মা নদী থেকে ভেকু দিয়ে অবৈধভাবে বালু-ভরাট উত্তোলনের মহাৎসব চলছে। এতে সরকার মোটা অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে। অন‍্যদিকে বালু-ভরাট বিক্রয় করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ভূমিদস্যুরা। পানি শূন্য পদ্মা নদীর তলদেশ থেকে এভাবে বালু-ভরাট উত্তোলন করা হলে ভবিষ্যতে লালপুর সদরে পদ্মা নদীর চরাঞ্চলে প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক জোন এলাকার জমি, কলনীতে প্রধানমন্ত্রীর উপহার আশ্রয়ন প্রকল্পে প্রায় ৫০টি বাড়ি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,থানা, নদীর ভাঙ্গন রক্ষা বাঁধ, লালপুর সদর বাজারসহ প্রায় ৩০টি গ্রাম নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার হুমকির মুখে পড়েছে।
গত মঙ্গলবার (৮ মার্চ) বিকাল ৪টার দিকে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লি: এর নামে প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক জোন এলাকার পাশে পানি শূন্য পদ্মা থেকে ভেকু দিয়ে বালু- ভরাট উত্তোলন করতে দেখা গেছে এবং প্রতিদিন ১০ চাকার ডাম ট্রাক দিয়ে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ গাড়ি বালু ভর্তি করে নিয়ে যাচ্ছে। এতে করে ফসলি জমির খতি ও গ্রামের রাস্তা গুলো নষ্ট হচ্ছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের নামে বনপাড়া ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্র নির্মাণের জন্য দিন রাত বালু-ভরাট উত্তোলন করেছেন উত্তর লালপুর হল মোড় এলাকায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ পাপ্পু এর বাড়ির হতে প্রায় ৪ কিলোমিটার চরের ভিতর হতে এই বালু উত্তোলন করলেও প্রশাসনের নজরে আসছে না।
এদিকে বালু-ভারাট উত্তোলনে তদারককারী তিতাস নামের এক ব্যক্তি বলেন,আমার দুলাভাই আব্দুল্লার সাথে কথা বলেন।
এ বিষয়ে বালু-ভরাট ব্যবসায়ী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, অফিসিয়ালভাবে অনুমতি দিয়েছে এবং সার্ভেয়ার দিয়ে নকশা অনুযায়ী জায়গায় নির্ধারিত করে দিয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাম্মী আক্তার বলেন, বালু-ভরাট উত্তোলন করার কোন অনুমতি দেয়া হয়নি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা সুলতানা বলেন, বিষয়টি দেখতে হবে।